বড়লেখায় নৃশংস হামলায় আহত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বৃদ্ধ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন কমলগঞ্জের বীরাঙ্গনা স্বীকৃতির আগেই মারা গেলেন জয়গুন নাহার খানম কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  রাজনগরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি : ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তা আহত কমলগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দল থেকে অব্যাহতি থানা পুলিশের অভিযান- বড়লেখায় চুরির মামলায় গ্রেফতার ৬, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার

বড়লেখায় নৃশংস হামলায় আহত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বৃদ্ধ

  • বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০

Manual5 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা ::

বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের গলগজা গ্রামের মৃত হারিছ আলীর ছেলে জইন উদ্দিন (৫৫)। পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্রের কোপে তার মাথা, কান ও গলা ক্ষতবিক্ষত করেছে। দুই হাত কুপিয়ে করেছে মারাতœক জখম। বর্বর ও নৃশংস হামলার এ ঘটনাটি ঘটে গত ১৩ অক্টোবর। আহত জইন উদ্দিন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। স্ত্রীর মামলায় ৩ আসামী গ্রেফতার হলেও ঘটনার ১০ দিনেও মুল আসামীরা অধরা।

Manual7 Ad Code

এ ঘটনায় আহত জইন উদ্দিনের স্ত্রী মার্জিনা জান্নাত বড়লেখা থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন গলগজা গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে সাহাদাৎ হোসেন (২৪), একই গ্রামের মৃত সমছ উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন (৩৫), বিছরাবাজার এলাকার রকিব উদ্দিনের ছেলে শিব্বির আহমদ (৪০), গলগজা গ্রামের মৃত সমছ উদ্দিনের ছেলে কামরান আহমদ (২০), একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী হাফিজুন নেছা (৫০), গাজিটেকা গ্রামের তবারক আলীর ছেলে মুহিবুর রহমান (৪৬), একই গ্রামের মছকন্দ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান বলাই (৫৫), গলগজা গ্রামের মৃত হারিছ আলীর ছেলে রহিম উদ্দিন (৬৫) ও গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে ছাদিয়া বেগম (২০)।

Manual3 Ad Code

মামলার পর পুলিশ এজাহার নামীয় আসামি হাফিজুন নেছা, রহিম উদ্দিন ও ছাদিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু ঘটনার ১০ দিন পার হলেও মূল আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।

Manual2 Ad Code

মামলার বাদী মার্জিনা জান্নাত বুধবার সন্ধ্যায় জানান, ‘আমার স্বামীর অবস্থা ভালো নেই। মাথায়, গলায় কুপিয়ে জখম করায় মুখ বাঁকা হয়ে গেছে। তার শরীরে প্রচ- যন্ত্রণা করছে। ডাক্তার বলেছেন ওষুধ চালান, হায়াত থাকলে বাঁচবেন। হঠাৎ কথা বলেন কিন্তু কথা বুঝা যায় না। মামলার প্রধান আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।’

জানা গেছে, জইন উদ্দিনের সাথে তার ভাইয়ের ছেলেদের জমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন তিনি বাড়ির পুকুরে গোসল করতে গেলে ভাতিজা সাহাদাৎ হোসেনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়। এসময় জইন উদ্দিনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে মাথা, গলা, কান ও হাতে জখম করা হয়। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় জইনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। ক্ষতস্থানগুলো থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

Manual2 Ad Code

থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তাৎক্ষণিক আহত ব্যক্তির চিকিৎসার কাজে সহায়তা করে। মামলার পর ৩জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার পরই মূল আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews