মাধবপুরে নতুন জাতের ধান চাষ,  উচ্চ ফলনে কৃষকের মুখে হাসি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের গোয়াইনঘাটে নদীপথে চাঁদাবাজি: আটক ১ নৌকা ও নগদ টাকা জব্দ কুলাউড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করলো নতুন কুঁড়ি ক্লাব জুড়ীতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেফতার : দুই শিশু সন্তানের আর্তনাদে এলাকায় বিষাদ বড়লেখা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ি আটক পরিচয়পত্র আধার কার্ড জব্দ সংবাদ সম্মেলন :: কুলাউড়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকি ও  জমি দখলের অভিযোগ জুড়ীতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ : ইউএনও বরাবর আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জে নৌকায় বজ্রপাত রাজনগরের ৩ বড়শি শিকারির মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ আত্রাইয়ে রেললাইনের পাশে পড়েছিলো লাশ ওসমানীনগরে সংস্কৃতি কেন্দ্রের উদ্যোগে হিজরি নববর্ষ উদযাপন ও আলোচনা 

মাধবপুরে নতুন জাতের ধান চাষ,  উচ্চ ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

  • বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

Manual4 Ad Code

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি::

Manual3 Ad Code

দেশের কৃষিজমির পরিমাণ দিন দিন কমছে অথচ জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের চাহিদা বেড়েই চলেছে। এই বাস্তবতায় কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবন করেছে দেশীয় নতুন উচ্চফলনশীল ধান ব্রি ধান-১০৩। স্বল্প জমিতে বেশি ফলনের কারণে ইতোমধ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার কৃষকদের মাঝে এই জাতটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

Manual8 Ad Code

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে মাধবপুর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শতাধিক কৃষকের ১০০ একর জমিতে ব্রি ধান-১০৩ এর ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষক বধু মিয়া সহ শতাধিক কৃষক কৃষাণী, কৃষি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আকতারুজ্জামান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে, কিন্তু এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে হলে আমাদের উচ্চফলনশীল জাতের দিকে যেতে হবে। ব্রি ধান-১০৩ এমন এক জাত, যা মাত্র ১১০ থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে ফসল দেয়। এর ফলে কৃষক একই জমিতে বছরে তিন ফসল তুলতে পারেন, যা কৃষি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে।” হবিগঞ্জ নাগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. পার্থ সারথি বিশ্বাস বলেন, “ব্রি ধান-১০৩ জাতটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সহনশীল এবং রোগবালাই প্রতিরোধী। এর ফলন একর প্রতি গড়ে ৭ টনেরও বেশি, যা প্রচলিত জাতের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। এছাড়া এর চাল ঝরঝরে, সাদা ও বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়।”

চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ বলেন, “আমাদের এলাকায় কৃষকরা ব্রি ধান-১০৩ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এর ফলন দেখে অন্য কৃষকরাও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। সরকার যদি এই জাতটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়, তবে ধান উৎপাদনে নতুন বিপ্লব ঘটবে।”

Manual7 Ad Code

স্থানীয় কৃষক বদু মিয়া বলেন, “আগের জাতের ধানে যেখানে একরপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ মণ ফলন পেতাম, এখন ব্রি ধান-১০৩ এ ৪০ মণেরও বেশি পেয়েছি। খরচও কম, ধানও ভালো মানের। এমন ফসল পেয়ে আমরা খুব খুশি।”

Manual1 Ad Code

এতে আরো বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ নাগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহানা পারভীন। তিনি বলেন, “ব্রি ধান-১০৩ হলো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এক সফল জাত। এটি খরা ও অতিবৃষ্টির প্রতিকূল পরিবেশেও ভালো ফলন দেয়। ভবিষ্যতে আমরা এই জাতের আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি করছি, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!