আত্রাইয়ে চাঞ্চল্যকর সুমন হত্যার রহস্য উদঘাটন দীর্ঘ ১৯ মাস পর দেহাবশেষ উদ্ধার  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান- বড়লেখায় ভারতীয় চোরাই গরু ও দেশিয় মদসহ গ্রেফতার ৪ শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে ফলদ ভেষজ ও বনজ বৃক্ষচারা বিতরণ ছাতকের আ’লীগ নেতা হাজী স্বপন ঢাকার রমনা থেকে গ্রেপ্তার আত্রাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল দুর্ঘটনার আশংকা

আত্রাইয়ে চাঞ্চল্যকর সুমন হত্যার রহস্য উদঘাটন দীর্ঘ ১৯ মাস পর দেহাবশেষ উদ্ধার 

  • শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

Manual3 Ad Code
নাজমুল হক নাহিদ ,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি ::
নওগাঁ পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৯ মাস পর নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার আলোচিত সুমন হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি শাফিউলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লাশ গুমের জন্য ব্যবহৃত পানির ডোবা থেকে সুমনের হাড়গোড় ও বিচ্ছিন্ন কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আত্রাই থানায় এক প্রেস ব্রিফিং সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুন ২০২৪ তারিখ রাত আনুমানিক ১১টা ৪৫ মিনিটে আত্রাই উপজেলার কয়সা গ্রামের বাসিন্দা সুমন (৩৯), পিতা মো. শাহাদাত হোসেন, নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে ২২ জুন ২০২৪ তারিখে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পরবর্তীতে পরিবারের সদস্য ও পুলিশ যৌথভাবে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশে পড়ে থাকা একটি ইটের টুকরায় রক্তের দাগ দেখতে পান। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে ইটে লেগে থাকা রক্তের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয় এবং তা সুমনের রক্ত বলে শনাক্ত হয়।
এ ঘটনায় নিহত সুমনের স্ত্রী বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর আত্রাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না থাকায় তদন্ত কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়ে।
হঠাৎ প্রায় এক সপ্তাহ আগে সুমনের পরিবার ও আত্মীয়স্বজন নওগাঁ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পুলিশ সুপার তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। এরপর তিনি মামলাটি নতুন উদ্যমে তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম), আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে সন্দেহভাজন আসামি শাফিউলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে আটককৃত শাফিউল ভিকটিম সুমনকে হত্যার কথা স্বীকার করে।
গ্রেপ্তারকৃত শাফিউল পুলিশকে জানায়, সুমন তার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয় এবং হাত ধরে টানাটানি করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ২২ জুন ২০২৪ তারিখে শাফিউল ও তার ছোট ভাই সায়েম পরিকল্পিতভাবে সুমনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আটক করে। গভীর রাতে বাড়ির পাশের নির্জন রাস্তায় নিয়ে গিয়ে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর দুই ভাই মিলে লাশ গুম করার জন্য পাশের নিচু স্থানে মাটি চাপা দেয়।
উল্লেখ্য, শাফিউলের ছোট ভাই সায়েম কয়েক মাস আগে আত্মহত্যা করেছে বলে পুলিশ জানায়। শাফিউলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে কয়শা গ্রামের রমজানের পুকুরের পানির ডোবা সেচ দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভিকটিম সুমনের হাড়গোড় ও বিচ্ছিন্ন কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় জনতা ভিড় করে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “নওগাঁ জেলা পুলিশ জেলার যেকোনো অপরাধ উদঘাটন ও দমন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!