কমলগঞ্জে সেচ সংকট তীব্র হচ্ছে শুকিয়ে যাচ্ছে জলাশয় – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই মেশিন পেলেন ১৫ অস্বচ্ছল নারী কুলাউড়ায় উত্তরবাজার যুব সমাজের’ উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল কমলগঞ্জে সেচ সংকট তীব্র হচ্ছে শুকিয়ে যাচ্ছে জলাশয় বড়লেখায় ২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ি গ্রেফতার বিয়ানী বাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের জন্য বৃটেনের কার্ডিফে ফান্ড রাইজিং গালা ডিনারপার্টি  মাদ্রাসা বোর্ডের বৃত্তিতে শতভাগ সাফল্য অর্জন করে নাগেশ্বরীর আল-কারীম ক্যাডেট মাদ্রাসা কুলাউড়ায় বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা : পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না ঘাতক পুত্রের বড়লেখার হাইটেক একাডেমির ৬ শিক্ষার্থীর ইবতেদায়ী বৃত্তি অর্জন কমলগঞ্জে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক-২ কুড়িগ্রাম টিটিসি’র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণার্থী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

কমলগঞ্জে সেচ সংকট তীব্র হচ্ছে শুকিয়ে যাচ্ছে জলাশয়

  • শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
{"capture_mode":"AutoModule","faces":[]}

Manual1 Ad Code
প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, কমলগঞ্জ  (মৌলভীবাজার) ::
শুষ্ক মৌসুমে টানা খরায় শুকিয়ে যাচ্ছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নদী, ছড়া, পুকুর-ডোবা, খাল-বিল ও জলাশয় সমুহ। এতে কৃষকদের সেচ ও গো-খাদ্য সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। খরার কারনে খাঁ খাঁ করছে উপজেলার মাঠঘাট। বোরো আবাদে বিভিন্ন স্থানে গভীর নলকূপে সেচ দেওয়ায় পানির স্তরও নিচে নামতে শুরু করেছে। কোন কোন স্থানে বিশুদ্ধ পানি সংকটও দেখা দিচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার শমশেরনগর, পতনঊষার ও আলীনগর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সময়ে অনাবৃষ্টির কারনে মাঠঘাট শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও আবাদি জমিতে সেচের অভাবে ফাটল দেখা দিচ্ছে। বোরো আবাদে গভীর ও অগভীর নলকুপ ব্যবহৃত হওয়ায় পানির স্তরও নিচে নামতে শুরু করেছে। নদী, পাহাড়ি ছড়া, খালবিল, ডোবা, পুকুর, জলাশয় সমুহ ক্রমাম্বয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে বোরো ক্ষেত, মৌসুমী ফল বাগানে সেচ সংকট দেখা দিচ্ছে। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মাঠে ঘাটে ঘাস না জন্মানোয় গবাদি পশুর খাদ্যেরও মারাত্মক অভাব বোধ করছেন কৃষকরা। মাছের প্রজননও হুমকির মুখে পড়েছে। কয়েকটি গ্রামে টিউবওয়েও কাঙ্খিত পানি উঠছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ধূপাটিলা গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমাদের একমাত্র পুকুরটি শুকিয়ে যাচ্ছে। এই পুকুরে যে মাছ পাওয়া যেতো সেই মাছ সারা বছর বাড়ির সাত, আটটি পরিবার ভাগ করে নিতো। এতে প্রাকৃতিক দেশীয় ও তাজা মাছ পরিবারগুলোর অনেকটা আমিষের ঘাটতি পুরন করতো। তবে পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় সবগুলো মাছ ও মাছের পোনা নি:শ্বেষ হয়ে যাচ্ছে।
কৃষক সামছু মিয়া বলেন, পানি সঙ্কটে ধান গাছ সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না। রোপিত অনেক জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে রোগবালাই বৃদ্ধি সহ ফল কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গভীর নলকূপ থেকে কোনমতে মৌসুমি ফল বাগানে কিছুটা সেচ দেওয়া হলেও তা কাঙ্খিত হচ্ছে না। এতে আম গাছেরও অনেক মুকুল ঝরে পড়ছে।
কৃষক অহিদুল ইসলাম জানান, মাঠে ঘাটে গবাদিপশুর খাবার নেই বললেই চলে। গবাদি পশু মাঠ ছেড়ে পানি খাওয়ার জন্য দৌড়ে ছুটে আসে বাড়ির পুকুরের দিকে। পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, এই সময়ে বৃষ্টিপাত হলে বোরো ও মৌসুমি ফলগাছের জন্য খুবই উপকার হতো। তবে কৃষকরা সেচ দিয়ে বোরো আবাদ করছেন। মৌসুমী ফল বাগানেও নলকূপ থেকে সেচ দিতে হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!