বড়লেখা প্রতিনিধি :
বড়লেখা উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডে সোমবার থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উপকারভোগিদের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ইউএনও মাহবুব আলম মাহবুব সোমবার বিকেলে প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।
ইউএনও জানান, উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের পরিবারগুলোর নারী প্রধানের তথ্য সংগ্রহের জন্য সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারি নিয়োগ দেওয়া হয়। উপজেলার বর্নি ও বড়লেখা সদর ইউনিয়নের দুইটি ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রথম পর্যায়ের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারিদর প্রশিক্ষণ প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। ১২ অক্টোবর দেশব্যাপি একযোগে সকল এলাকার খানা/পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরুর অংশ হিসেবে বড়লেখা উপজেলার দুইটি ওয়ার্ডে প্রশিক্ষিত তথ্য সংগ্রহকারিগণ তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছেন।
তিনি আরো জানান, নারীর ক্ষমতায়ন, নারীর অধিকার, মর্যাদা অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিন ন্যায় অর্জনের বিষয়টি সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। এরই অংশ হিসেবে পরিবারের নারী প্রধানের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের যুগান্তকারি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক হালনাগাদকৃত প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে দেশের সকল পরিবারকে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে ৫টি কোয়াইন্টালে (অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নি¤œবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত) বিভাজন করা হয়েছে। পিএমটির স্কোর অনুযায়ী নম্বর বা কম নম্বর প্রাপ্ত নারী পরিবার প্রধানও ভাতা প্রাপ্তির যোগ্য বিবেচিত হবেন। অর্থাৎ সকল নারী পরিবার প্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তথ্য সংগ্রহকারীগণ মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে এবং সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাাইন ডেটাবেইজে ইনপুট করবে।
উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আবু কাওছার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বর্নি ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, প্রেসক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, সহসভাপতি খলিলুর রহমান, অর্থ সম্পাদক সুলতান আহমদ খলিল, সদস্য আজাদ বাহার জামালী, তাহমিদ ইশাদ রিপন, সিরাজুল ইসলাম রিপন, রেদওয়ান আহমদ রুম্মান প্রমুখ।