কমলগঞ্জে সরকারি বাসাগুলো বাসবাসের অনুপযোগি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হলোখানা ইউনিয়নে  দুস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ ছাতক উপজেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে দেখতে চান বিএন‌পির নজরুল ইসলামকে বড়লেখায় চলন্ত অটোরিকশায় ভেংগে পড়ল গাছ : নিহত ১, আহত ২ কমলগঞ্জের সুনছড়া থেকে অবৈধভাবে সিলিকা বালু লুটের অভিযোগ : বাঁধা দেয়ায় মামলা হামলার হুমকি  ওসমানীনগরে মন্ত্রী ও উপদেষ্টার খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন  কমলগঞ্জে মুন্সীবাড়ির উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ কুলাউড়ায় জবেদা রউফ ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ জুড়ীতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ বড়লেখায় মাসব্যাপী কুরআন প্রশিক্ষণ ও পুরস্কার বিতরণ  বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কমলগঞ্জে সরকারি বাসাগুলো বাসবাসের অনুপযোগি

  • শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১

Manual5 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য পাকিস্তান আমল ও ১৯৮০ দশকে তৈরী করা ৪টি আবাসিক ভবন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ২টি ভবন বেশি ঝুকিপূর্ণ থাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ভবনগুলো। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জরাজীর্ণ এইসব ভবনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বসবাস করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবার। আবাসন ভবন ঝুকিপূর্ণ থাকায় অনেক কর্মকর্তারা পরিবার নিয়ে বাইরে ভাড়া বাসায় থাকেন। আবার অনেক কর্মকর্তারা আবাসন ভবন বসবাসের অযোগ্য থাকায় পরিবার গ্রামের বাড়িতে রেখে ব্যাচেলার ম্যাচে থাকেন। এসব ভবনগুলো অপসারণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে সচেতন মহলের আশংকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনটি ১৯৬৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভবনটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। কোয়াটারের উপরে একসাথে দুই-তিনজন হাঁটাচলা করলে সারা ভবন কেঁপে ওঠে। উপজেলা পরিষদের ভিতরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে একাধিক আবসিক ভবন। দেয়ালের মাঝে একাধিক ফাটল রয়েছে। অল্প বৃষ্টি হলে ছাদ চুইয়ে ভিতরে পানি পড়ে। কোয়াটারগুলোর ছাদের ঢালাই ভেঙে রড বের হয়েছে। দরজা, জানালা সমুহ ভেঙ্গে গেছে। ভবনগুলোর পলেস্তারা খসে পড়ছে। বনবিথি, গেজেটেড কোয়াটার, কৃষ্ণকলী, কনকচাঁপা, কামিনী, ক্যামেলিয়া কোয়াটারগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুকিপূর্ণ। এছাড়াও জরাজীর্ণ ভবনগুলোর পাশে ময়লা আবর্জনা স্তূপ জমে উঠেছে। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার পরও পরিবার-পরিজন নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী বসবাস করছেন এসব ভবনে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার জন্য বনবিথি, গেজেটেড কোয়াটার, কৃষ্ণকলী, কনকচাঁপা, কামিনী, ক্যামেলিয়া কোয়াটারসহ ৫টি ভবন নির্মাণ করা হয়।

উপজেলা এলজিডি অফিসের অফিস সহায়ক মো. শহীদ উল্লাহ বলেন, ফ্লাড সেন্টারে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। আমাদের কোয়াটারে গ্যাস ও পানি নেই। তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে কোয়াটার দিলে আমরা ভাড়া করে থাকবো। জরাজীর্ণ ঘরে সারাক্ষণ ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছি।

Manual2 Ad Code

গেজেটেড কোয়ার্টারের বাসিন্দা উপজেলা এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রাকিব ও উপজেলা বিআরডিবি প্রকল্প কর্মকর্তা (পজিপ) মোর্শেদা খানাম বলেন, বৃষ্টি দিলে ছাদ থেকে পানি পড়ে, দেওয়ালের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দিয়েছে। ভিতরের অবস্থা এতটাই করুণ যা বলার ভাষা রাখেনা।

Manual5 Ad Code

পুরাতন কোয়াটারের বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কোয়াটার সবচেয়ে ঝুঁকি পূর্ণ থাকায় আপাতত এটি নতুন করে করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, ভবনগুলো পর্যায়ক্রমে টেন্ডারের মাধ্যমে ভেঙ্গে নতুন করে করতে হবে। এগুলো মেরামত করলে হবেনা। আমি থাকা অবস্থায় ভবনগুলো করে যাবো বলে আশা করছি। আমার বাসভবনটি ১৯৬৪ সালে নির্মাণ করা হয়েছিল, বর্তমানে এটি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ।

কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো. রফিকুর রহমান বলেন, উপজেলা পরিষদের বড় ধরনের কাজগুলো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়। আমরা উপজেলা পরিষদ থেকে সর্বোচ্চ সাত লক্ষ টাকার কাজ করাতে পারি। এছাড়াও সরকার থেকে কিছু ভবন পরিত্যক্ত করা হয়েছে।#

Manual4 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!