হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা কানামাছি ভোঁ ভোঁ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ শ্রীমঙ্গলে তরুণ সংগঠকদের কর্মশালায় সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অঙ্গীকার আত্রাইয়ে এমপি রেজাউল ইসলাম রেজুকে সংবর্ধনা কমলগঞ্জে শহীদনগর বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির শপথ ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আত্রাইয়ে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বড়লেখায় তিন বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় পৃথক মামলা জুড়ীতে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল হাকালুকির ‘হাওরখাল’ বিল- সিন্ডিকেট ভাঙ্গায় পুনঃনিলামে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ল প্রায় ৩৮ লাখ টাকা অপরাধীর পরিচয় নয়, অপরাধ দেখুন রাষ্ট্রের ভিত শক্তিশালী করতে আইনের শাসন ফেরাতে হবে হাকালুকির ‘হাওরখাল’ বিলের উন্মুক্ত পুনঃনিলাম কাল

হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলা কানামাছি ভোঁ ভোঁ

  • বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২

Manual4 Ad Code
রতি কান্ত রায়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি::
আধুনিকতার ছোঁয়ায় ও কালের বির্বতনে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা।
এক সময় গ্রামবাংলার শিশু ও যুবকরা লেখাপড়ার পাশাপাশি অবসর সময়ে বিনোদনের জন্য খোলা মাঠে দলবেঁধে এসব খেলা খেলতো।
কালের বিববর্তনে মহাকালের ইতিহাস থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে এসব ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা। গ্রামীণ এসব খেলাধুলা আমাদের আদীক্রিড়া সংস্কৃতির অংশ ছিল।
এসব খেলাধুলা গ্রামবাংলার সংস্কৃতির ঐতিহ্য বহন করতো কিন্তু বর্তমানে এসব খেলা বিলুপ্ত হতে হতে আজ তার অস্তিত্ব খুজেঁ পাওয়াই দুষ্কর হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি প্রচলিত হা-ডু-ডু , আনচু বাগাচু, একটি হাস কলার বাস, কুতকুত, পান্না কুতকুত, বৌছি, দাঁড়িয়াবান্দা  ইত্যাদি গ্রামীণ খেলার প্রচলন নেই বললেই চলে।
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলার মধ্যে অন্যতম হল- হা-ডু-ডু, গাদন, ডাংগুলি, গোল্লাছুট,হাড়িভাঙ্গা, রুমাল চুরি, বাইচস্কোপ, ঘোড়দৌড়, আকডুম বাকডুম, মোরগ লড়াই ইচিং বিচিং, বৌরানী ইত্যাদি ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাওয়া এসব খেলাধুলা আর চোখে পড়ে না তেমন। বিলুপ্ত প্রায় একটি গ্রামীণ খেলা হচ্ছে কানামাছি ভোঁ ভোঁ। কানামাছি ভোঁ ভোঁ যারে পাবি তারে ছোঁ। ছড়াটি নিশ্চই সবার কাছেই সুপরিচিত ।
এ খেলায় কাপড় দিয়ে একজনের চোখ বেঁধে দেওয়া হয়। চোখ বাধাঁ অবস্থায় সে অন্য বন্ধুদের ধরতে চেষ্টা করে। যার চোখ বাঁধা হয় তাকে বলে কানা। অন্যরা তার পিঁছনে পিঁছনে মাছির মত করে তার চারিপাশে ঘিরে কানামাছি ছড়া বলতে বলতে তার গায়ে টোকা দেয়।
চোখ বাধাঁ অবস্থায় সে অন্যদের ধরতে চেষ্টা করে। সে যদি কাউকে ধরতে পারে এবং তার নাম বলতে পারে তবে সেই ব্যক্তিকে কানামাছি সাজতে হয় এবং সে হয় চোর।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!