বড়লেখা-জুড়ীতে সাজুর সক্রিয় প্রচার, গতি ফিরছে তৃণমূলে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২% 

বড়লেখা-জুড়ীতে সাজুর সক্রিয় প্রচার, গতি ফিরছে তৃণমূলে

  • সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫
শরিফুল হক সাজু

Manual5 Ad Code
এস এইচ সৈকত :: মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে আবারও প্রাণের সঞ্চার ঘটেছে। দীর্ঘ ১৩ বছর পর দেশে ফিরে এলাকায় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগিয়েছেন দলের নিবেদিতপ্রাণ নেতা, বিএনপির মনোনয় প্রত্যাশি কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হক সাজু।

সৈরাচার হাসিনা সরকারের সময় করা একাধিক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলার কারণে দীর্ঘদিন তিনি দেশে ফিরতে পারেননি। অবশেষে জুলাই আগস্টের ছাত্রজনতার তোপের মুখে হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে সব মামলায় জামিন নিয়ে দেশে ফিরে আসেন বড়লেখা মাটি ও মানুষের নেতা শরিফুল হক সাজু। এরপর থেকেই মাঠে নেমে পড়েছেন দলীয় কার্যক্রমে প্রাণ ফেরাতে।

দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই সাজু সাহেব শুরু করেন তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ। বড়লেখা শহর থেকে শুরু করে জুড়ীর প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত তার পদচারণা এখন আলোচনার বিষয়। বাজার, চা-বাগান, পাড়া-মহল্লা, এমনকি কৃষকের ঘরেও পৌঁছে যাচ্ছেন তিনি।

দিনের পর দিন মানুষের খোঁজ নিচ্ছেন, শুনছেন তাদের সমস্যা, তুলে ধরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা ও বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা।

তরুণ প্রজন্ম, কৃষক, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ—সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ এলাকাবাসীর কাছে তাকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে। অনেকেই বলছেন, “সাজু ভাই ফিরে আসায় মনে হচ্ছে আমাদের পুরনো বিএনপি আবার জেগে উঠছে।”

শরিফুল হক সাজুর রাজনৈতিক পথচলা শুরু ছাত্রদল থেকে। ছাত্র রাজনীতির সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তার। দলে কখনো পদ-পদবির জন্য নয়, বরং আদর্শের জায়গা থেকে তিনি রাজনীতি করেছেন—এমনটাই বলছেন সহকর্মীরা।

বিদেশে অবস্থানকালেও তিনি ছিলেন বিএনপির একজন সংগঠক, একজন চিন্তাশীল কর্মী। ছিলেন, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, কাতার বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন দূর প্রবাসে থেকেও।

Manual1 Ad Code

একজন স্থানীয় নেতা বলেন, “তিনি বিদেশে থেকেও দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যেভাবে যোগাযোগ রেখেছেন তা অনেকের পক্ষে সম্ভবই না। দলের দুঃসময়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন এক নিরাপদ আশ্রয়ের প্রতীক। দেশে ফিরে এখন যেভাবে তিনি মাঠে কাজ করছেন, তা বড়লেখা-জুড়ীর রাজনীতিতে অভূতপূর্ব।”

বড়লেখা ও জুড়ীর মানুষের কাছে শরিফুল হক সাজু একজন ক্লিন ইমেজের নিরহংকারী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।

তিনি সর্বদা সাধারণভাবে চলাফেরা করেন, কর্মীদের সঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করেন, প্রতিটি কর্মীর ডিটেলস ভালো করে জানেন। রাজনীতিতে ক্ষমতা বা বিত্ত নয়, মানুষের ভালোবাসাকেই তিনি মূল শক্তি মনে করেন।

Manual6 Ad Code

স্থানীয় নেতৃবৃন্দের ভাষায়, “সাজু সাহেবের রাজনীতি শালীনতা, সততা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক।”

মৌলভীবাজার-১ আসনটি ঐতিহ্যগতভাবে রাজনৈতিক সচেতন এলাকা। এখানে বড়লেখা, জুড়ী ও চা-বাগান অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক ঝোঁক সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিএনপির সাংগঠনিক দুর্বলতা দেখা দিলেও সাজুর প্রত্যাবর্তনের পর আবারো দলীয় কার্যক্রমে গতি এসেছে এই আসনে।

বড়লেখা পৌরসভার এক তরুণ কর্মী বলেন, “সাজু ভাই মাঠে নামার পর নেতাকর্মীরা এখন সংগঠিত হচ্ছে। চা-বাগান থেকে পাহাড়ি গ্রাম—সবখানেই বিএনপির পতাকা দেখা যাচ্ছে।”

তিনি মনে করেন, মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কই তাঁর মূল শক্তি। তিনি এলাকায় কোনো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত নন। ব্যক্তিজীবনে সৎ, পারিবারিকভাবে শিক্ষিত ও সাদামাটা জীবনযাপনই তাকে আলাদা করেছে অন্যদের থেকে।”

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের জনগণ যেমন পরিবর্তন চায়, তেমনি ত্যাগী ও সৎ নেতৃত্বের খোঁজও করছে। শরিফুল হক সাজুর মতো নেতাদের মাঠে ফেরাটা সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন।

Manual8 Ad Code

তিনি যেভাবে জনগণের সঙ্গে একাত্ম হচ্ছেন, তাতে অনেকেই মনে করছেন—আসন্ন নির্বাচনে বড়লেখা-জুড়ী আসনে বিএনপি নতুন করে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবে।

একজন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যাক্তির সাথে কথা বললে তিনি বলেন, “বড়লেখা-জুড়ী এখন সাজুকে ঘিরে এক নতুন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। তিনি শুধু একজন মনোনয়নপ্রত্যাশী নন, বরং বিএনপির ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রাজনীতির প্রতীক।”

Manual3 Ad Code

দেশে ফিরে শরিফুল হক সাজু যেভাবে মাঠে কাজ করছেন, তা বিএনপির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। তার নিরহংকারী চরিত্র, ক্লিন ইমেজ ও দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এই অঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

বড়লেখা-জুড়ীর মানুষ তার দিকে তাকিয়ে আছে নতুন আশায়— একজন নেতার প্রত্যাবর্তন ও মনোনয়নে হয়তো আবার ফিরিয়ে আনতে পারে গণমানুষের রাজনীতি, ন্যায় ও গণতন্ত্রের সেই পুরনো স্বপ্ন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews