ছাতক ও সিলেট বিউবো প্রকল্পে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার তামার তার লুট! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

ছাতক ও সিলেট বিউবো প্রকল্পে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার তামার তার লুট!

  • সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

Manual6 Ad Code

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি ::

Manual5 Ad Code

ছাতক ও সিলেট বিউবো পিডিবি প্রকল্পে ভয়াবহ লুটপাট ও কোটি কোটি টাকার তামার তার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লুটপাট। এক বছরে প্রকল্প কাজ ৮বছরেও শেষ হচ্ছে না। ঠিকাদারি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সিলেট বিভাগের মেগা প্রকল্পের ২ হাজার ৫৩ কোটি টাকার উন্নয়ন স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। বিদ্যুৎ সংস্কারের নামে বেনামে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে লুটপাটের অভিযোগের ঘটনায় ছাতক সিলেট ঢাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সংস্কারের নামে হরিলুট,অন্যদিকে দুই শতাধিক গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্টান মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে।

Manual4 Ad Code

সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ওমৌলভীবাজার—এই চার জেলার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে হাতে নেওয়া বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প, সিলেট বিভাগ” ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয় মানুষের অভিযোগ প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে বিপুল অর্থ, কিন্তু মাঠে দেখা যায়নি তেমন কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন। বিউবো আধুনিকতার নামে ২হাজার ৫৩কোটি প্রকল্পের ব্যাপক অনিয়ম,দুনীতির ভযাহত সাগর চুরির অভিযোগটি প্রধান মন্ত্রী, বিদ্যুৎমন্ত্রীর কাষ্যালয় গত ৫ মার্চ প্রাপ্তি স্বীকার করার গত ২৪ মার্চ বাদীর কাছে পোষ্ট অফিসের মাধ্যমে এডি কার্ড তার হাতে পৌছেছে। গত ২৭মার্চ বাদী সেবুল সরাসরি এ প্রতিনিধির কাছে এসে দেখা করে বলেন তার দেয়ার দুনীতির লুটপাটের অভিযোগটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সীল মেরে প্রাপ্তি স্বীকার করেছেন। তবে দুর্নীতি ও লুটপাটের ঘটনায় এখন তদন্ত হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয় সচেতনমহলের অভিযোগ জনগণের দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের কথা বলে শুরু হওয়া এই প্রকল্প এখন কিছু অসাধু দুনী‌তিবাজ বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সহসভাপতি ও ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের বিরুদ্ধে সাগর চুরি কাহিনী অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

Manual6 Ad Code

প্রকল্পের আড়ালে দুর্নীতির অভিযোগসূত্র জানায়, সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ অবকাঠামো আধুনিকায়ন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রায় ২হাজার ৫৩ কোটি টাকার এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ২০১৬ সালের ১১ মার্চ পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়নকমিটির (পিইসি) সভায় প্রকল্প প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। পরে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে জাতীয়অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা। পরে সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় প্রায় ১ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা সরকারি অর্থায়ন এবং বাকি অর্থ বহনে কথা ছিল বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোডের (পিডিবি)। কিন্তু প্রকল্পের শুরু থেকেই এর ব্যয় ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। ছাতক ও সি‌লে‌টের বিদ‌্যুৎ বিভা‌গের সাগর চুরি দশা হ‌য়। এঘটনায় ২০২৪ সালে ১৭ অক্টোরর ঠিকাদার হাজী শহীদ তালুকদারসহ ৭জনের নামে ছাতক থানায় একটি চাদাবাজি মামলা দায়ের করেন একজন ভুক্তভোগী।

সিলেটের বিউবো তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহাদত আলী, প্রকল্প নিবাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া, সহকারি প্রকৌশলী জাহিদ আহমদসহ কনসান্ডেট আব্দুল কাইয়ুমসহ বিরুদ্ধে হরিলুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ২০১৮ সাল থেকে ঢাকার বিউবো সিলেটের সাবেক পিডি প্রকল্প চেয়ারম্যান ডক্টর এমএম সিদ্দিকী ও বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদে সহসভাপতি সিলেট অঞ্চলে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির নেতৃত্বে অফিস থেকে টাঙ্গইলে ছাতক ও সিলেট বিউবো প্রকল্পে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার তামার তার লুট! ছাতক ও সিলেট বিউবো প্রকল্পে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার তামার তার লুট! সিন্ডিকেটের মাধ্যমে টেন্ডার থেকে মাঠে সব জায়গায় একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খোলে কথা বলার সাহস পায়নি। তারা সিলেট বিভাগের ৪টি জেলায় বিভিন্ন উপজেলা বিদ্যুৎ গ্রাহকদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো চাঁদা আদায় করতেন গ্রামে গ্রামে। ছাতক ও দোয়ারাবাজার, বিশ্বনাথ, জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিনা সংস্কারে চালু করে টাকা আদায় করে সিলেট বিউবো প্রকল্প অফিস। এ প্রকল্প অফিসে দিন রাত চলতো টাকার আদান প্রদান খেলা।

Manual6 Ad Code

২০২০ সালে ছাতক, গোবিন্দগঞ্জ রাউলী টেন্ডার পেয়েছে শওকত অ্যান্ড সন্স। পরে মাত্র ২৪ লাখ টাকায় কাজটি বিক্রি হয়ে যায় সানরাইজ ইন্টারন্যাশনালের কাছে। এরপর দুলাল পাল আংশিক কাজ করেছিলেন। তার মৃত্যুর পর কাজ থেমে যায়। পরে অনিক পাল দায়িত্ব নিলেও তামার ক্যাবল –তারসহ মালামাল গায়েব করেছেন প্রায় শতকোটি টাকা। এদিকে আলোচনায় চলে আসেন বহুল আলোচিত চাঁদাবাজি মামলায় টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের নেতা ২০১২ সালে টাঙ্গাইল পিডিবির মামলার চুরির মুলহোতা হাজী শহীদ তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৫ কোটি টাকার মামলা করেছেন একজন ভুক্তভোগী বিদ্যুৎ গ্রাহক। একটি প্রভাবশালী দালাল চক্রের মাধ্যমে ছাতক দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ ৫ আসনে এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন নাম ভাঙ্গিয়ে এই মামলাটি ৫০ লাখ টাকার বিনিময় নিষ্পত্তির করার লক্ষে গোপন চুক্তির করেন।

এঘটনার ব্যাপারে ছাতক দোয়ারাবাজার উপজেলার গণমানুষের জননেতা চারবাবারে নিবাচিত এমপি মিলন সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তার নাম ব্যবহারকারিদের প্রথমে ধরেই গনধোলাই দিয়ে এদেরকে থানায় সোপর্দ করার নিদের্শ দেন। এসব ঘটনায় পুলিশ ২ জন সাক্ষীসহ ৯ জনকে অভিযুক্ত করে সুনামগঞ্জ আদালতে চার্জশিট দিয়েছে তদন্তকারি কর্মকতা। সিন্ডিকেটে ও প্রকল্পের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ২০ জন কর্মকর্তা– ঠিকাদার জড়িত রয়েছে। এসব ঘটনায় আলোচনায় রয়েছেন সিলেট অঞ্চলে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির, বিউবো প্রকল্পে নির্বাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া, ছাতকের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মজিদ, সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, ঠিকাদার হাজী শহীদ তালুকদার, আব্দুল হাই, মাসুম মল্লিক, শফিকুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, আজিজুর রহমানসহ আরও অনেকেই রয়েছে। বিদ্যুৎ গ্রাহক সেবুল মিয়া লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, দুদকে। জনমনে ক্ষোভ ছাতক– দোয়ারাবাজার ও জগন্নাথপুরবাসীর অভিযোগ উন্নয়ন নেই শুধুই লুটপাটের উন্নয়ন হয়। এসটি ও
এলটি লাইন পুরোনো, সাবস্টেশন অচল, লোডশেডিং আরও বেড়েছে। স্থানীয় সেবুল মিয়া বলেন হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন গেল কোথায়? শুধু দুর্নীতির গল্প। দাবি পূর্ণ অডিট ও বিচার সচেতন মহলের দাবি পূর্ণ অডিট, মালামাল যাচাই, লুট হওয়া সরকারি অর্থ উদ্ধার এবং দোষীদের দ্রুত শাস্তি।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অভিযুক্ত প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া মন্তব্যে অস্বীকৃতি জানান। এব্যাপারে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহাদত আলী দুদকের মামলায় টাঙ্গাইল আদালতে কারাগারে থাকার কারনে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সিলেটের বদলীকৃত অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির তার বিরুদ্ধে আনা সবই অভিযোগ অস্বীকার করে.বলেন, বিউবো প্রকল্প অফিস কোথায় কিভাবে উন্নয়ন কিস্তিত তার জানা নেই।

এসব নিবাহী প্রকৌশলী জিয়াউল হক জিয়া সব কিছু জানেন, তার নেতৃত্বে টাঙ্গাইলে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল বলে মন্তব্য করেন। ঢাকা বিউবো পিডি প্রকল্প পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) চন্দন কুমার সূত্রধর জানান, তবে অনিয়ম থাকলে খোজ খবর নিয়ে আইনুগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!