কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়- ১১ মাস থেকে শিক্ষকদের বেতনভাতা বন্ধ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন ইউএনও নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা

কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়- ১১ মাস থেকে শিক্ষকদের বেতনভাতা বন্ধ

  • মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

Manual7 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

Manual1 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনভাতা গত ১১ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষকরা বঞ্চিত হয়েছেন ঈদ উদযাপন থেকে। সেইসাথে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানা গেছে।

Manual2 Ad Code

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম দুর্নীতি ও সেইসাথে শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক আচরণের কারণে হয়েছে একাধিক তদন্ত। তাছাড়া গত জানুয়ারি মাস থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তৈরি হয় নতুন সঙ্কট। কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার একাধিকবার বেতন বিল করার নির্দেশ দিলেও তাতে গুরুত্বই দেননি প্রধান শিক্ষক।

Manual3 Ad Code

জানা যায়, তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১১ শিক্ষক কর্মরত আছেন। গত জুলাই মাস থেকে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ শিক্ষকদের বেতনভাতার বিল করছেন না। ফলে এসব শিক্ষকরা ১১ মাস থেকে বেতনভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাছাড়া বিগত ঈদুল ফিতরের সময় বেতনভাতা ও ঈদ বোনাস থেকে বঞ্চিত হন। ফলে তাদের পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হন।

তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার ০১৭১৩৮১০৬৮১ নম্বরে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

Manual3 Ad Code

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার জানান, এই প্রধান শিক্ষক কারো কথাবার্তা শুনছেন না। তার নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। শিক্ষকরা ইউএনও মহোদয়ের কাছে এসেছিলেন অভিযোগ নিয়ে। বিষয়টি উনি ভালো বলতে পারবেন।

এ ব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, গত জানুয়ারি মাসে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে নতুন কমিটি গঠনের জন্য বললেও তিনি কমিটি গঠনের কোন উদ্যোগ নেননি। তাছাড়া বেতন ভাতার বিল করার জন্য একাধিকবার বললেও গুরুত্ব দেননি। শিক্ষকরা এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!