বড়লেখায় সেচযন্ত্রে বিল শুকিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত লন্ডনে বিয়ানীবাজার ক্যান্সার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালের ফান্ডরেইজিং: ৫০ হাজার পাউন্ডের প্রতিশ্রুতি কুলাউড়ায় কংক্রিট ভাঙ্গার ট্রলি উল্টে চালক নিহত ১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ

বড়লেখায় সেচযন্ত্রে বিল শুকিয়ে মাছ ধরার অভিযোগ

  • মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২২

Manual1 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা ::

Manual2 Ad Code

বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়নের বড়থল এলাকায় পানির তীব্র সংকটের মধ্যে ইজারাদার মৎস্যজীবি সমিতি বড়জালাই (বদ্ধ) নামক সরকারি জলমহাল অবৈধভাবে সেচযন্ত্রে শুকিয়ে মাছ ধরার পায়তারা করছে। অসাধুরা ইতিমধ্যে বিলের প্রায় অর্ধেক শুকিয়ে ফেলেছে। এব্যাপারে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী সোমবার ইউএনও বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান তিনটি সেচযন্ত্র বন্ধ করেছেন। তবে অবৈধ সেচপাম্পগুলো জব্দ না করায় এবং অসাধুদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নেয়ায় বন্ধের কিছু সময় পরেই তারা পুণরায় সেচ মেশিনগুলো চালু করেছে। এতে এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

Manual1 Ad Code

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়থল গ্রামের প্রায় ৩ হাজার বাসিন্দার দৈনন্দিন কাজের পানির উৎস হচ্ছে ২০ একর আয়তনের বড়জালাই (বদ্ধ) জলমহাল। সরকারি এ জলমহালটি গ্রামবাংলা মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি ইজারা নিয়েছে। শুকিয়ে মাছ ধরার নিয়ম না থাকলেও ইজারাদার সমিতির লোকজন গত কয়েকদিন ধরে ৪টি মেশিনে বিলের পানি সেচ করছে। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে জলাশয় শুকিয়ে মাছ ধরায় একদিকে মাছের বংশ বিলুপ্তির আশংকা অন্যদিকে গ্রামের লোকজন পানির জন্য মারাত্মক দুর্ভোগে পড়বেন। জলাশয়টি শুকিয়ে ফেললে গ্রামের অগভীর নলকুপ পানিশূন্য হয়ে পড়ারও আশংকা রয়েছে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, জলমহাল সেচযন্ত্রে পানি সেচ দেয়ার নিয়ম নেই, এটি সম্পুর্ণ অবৈধ। অভিযোগ পেয়ে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জলাশয়ে তিনটি মেশিনে পানি সেচ চলতে দেখে তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এব্যাপারে ইজারাদার সমিতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!