মাধবপুর হাসপাতালে বউয়ের লাশ রেখে স্বামী ও শাশুড়ির পালায়ন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের গোয়াইনঘাটে নদীপথে চাঁদাবাজি: আটক ১ নৌকা ও নগদ টাকা জব্দ কুলাউড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করলো নতুন কুঁড়ি ক্লাব জুড়ীতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেফতার : দুই শিশু সন্তানের আর্তনাদে এলাকায় বিষাদ বড়লেখা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ি আটক পরিচয়পত্র আধার কার্ড জব্দ সংবাদ সম্মেলন :: কুলাউড়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকি ও  জমি দখলের অভিযোগ জুড়ীতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ : ইউএনও বরাবর আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জে নৌকায় বজ্রপাত রাজনগরের ৩ বড়শি শিকারির মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ আত্রাইয়ে রেললাইনের পাশে পড়েছিলো লাশ ওসমানীনগরে সংস্কৃতি কেন্দ্রের উদ্যোগে হিজরি নববর্ষ উদযাপন ও আলোচনা 

মাধবপুর হাসপাতালে বউয়ের লাশ রেখে স্বামী ও শাশুড়ির পালায়ন

  • বুধবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৫

Manual3 Ad Code

মাধবপুর প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের মাধবপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সানজিদা আক্তার ( ১৯) নামের এক তরুণীর লাশ রেখে স্বামী ও শাশুড়ি পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ঘটনা ঘটে। মৃতের পরিবারের দাবি, হত্যা করে হাসপাতালে আনা হয়েছিল সানজিদাকে।

Manual3 Ad Code

এর আগে রাত ৯ টার দিকে উপজেলার বহরা ইউনিয়নে সুন্দাদিল গ্রামে স্বামীর বাড়িতে সানজিদার রহস্যজনক মৃত্যু হয়।

মৃত সানজিদা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার বুদন্তি গ্রামের মাতু মিয়ার মেয়ে। তিনি মাধবপুর উপজেলার সুন্দাদিল গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে ওই নারীকে নিয়ে হাসপাতালে আসে স্বামী, শাশুড়িসহ কয়েকজন। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সানজিদাকে মৃত ঘোষণার পর কৌশলে তারা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে হাসপাতালে আসেন সানজিদার স্বজনেরা।

Manual3 Ad Code

মৃতের বাবা মাতু মিয়া বলেন, ‘প্রায় তিন মাস আগে পারিবারিকভাবে সানজিদার সঙ্গে মিজানুরের বিয়ে হয়। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে সাধ্য মতে ফার্নিচার ও স্বর্ণ দেয়। বিয়ের তিন মাস পার হতে না হতেই আমার ফুটফুটে মেয়েটার জীবন চলে গেল। আমি এর বিচার চাই।’

Manual4 Ad Code

এ বাবা আরও বলেন, ‘বিয়ের পর থেকে শাশুড়ি নানাভাবে সানজিদাকে নির্যাতন করে আসছিল। শাশুড়ির ইচ্ছা ছিল, তার ভাইয়ের মেয়েকে মিজানের সঙ্গে বিয়ে দিবে। এটাই আমার মেয়ের জন্য কাল হয়েছে।’

মানু মিয়া বলেন, ‘কয়েকদিন আগে পরিবার থেকে মেয়েকে ও জামাইকে আলাদা করে দেওয়া হয়। পারিবারিক বিরোধের কারণে আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। স্বামী, শাশুড়ি, স্বামীর বোনসহ পরিবারের লোকজন আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে।’

মাধবপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে সূরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শাশুড়ি জামিলা খাতুনকে বুধবার ভোর রাতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’#

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!