বড়লেখায় বাড়ি লকডাউনে গিয়ে জানা গেল রোগী নেই অতঃপর.. – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সততা, সাহস ও নিষ্ঠাই নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারিদের বড় শক্তি -মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার-১ আসন- বড়লেখা বিএনপিতে ঐক্য, দলের প্রার্থীর পক্ষে অভিমানী নেতারাও নামছেন প্রচারণায় কুড়িগ্রামে সড়কে অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ রেখেই চলছে নির্মাণ কাজ সুনামগঞ্জ–৫ আসনে ধানের শীষের গণজোয়ার–কলিম উদ্দিন মিলন কুলাউড়ায় এক পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৪৯ দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফ ন্যায় ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে চাই–মাওলানা মামুনুল হক জয় দিয়ে সুপার সিক্স শুরু বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ও গণমাধ্যম একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে: নাহিদ ইসলাম ১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল মৌলভীবাজার বিএনপির ১১ নেতাকে অব্যাহতি

বড়লেখায় বাড়ি লকডাউনে গিয়ে জানা গেল রোগী নেই অতঃপর..

  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০

Manual7 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা ::

বড়লেখায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির (২৮) বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে জানা গেল তিনি সিলেটে ! মঙ্গলবার ১৬ জুন বিকেলে লকডাউনে গিয়ে এ রোগীর সিলেটে অবস্থান করার তথ্য পায় পুলিশ। পরে তাকে সিলেট থেকে এনে বাড়ি লকডাউন করা হয়। আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের দোহালিয়া গ্রামে, পেশায় মসজিদের ইমাম।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, করোনা শনাক্ত হওয়া ব্যক্তি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় একটি মসজিদে চাকরি করেন। তিনি ঈদে বাড়ি আসেন। উপসর্গ থাকায় ৭ জুন তিনি বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। ১৫ জুন পর্যন্ত ফলাফল না আসায় পরদিন মঙ্গলবার সকালে তিনি কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। দুপুরে আসা ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন রোগীর বাড়ি লকডাউন করতে যায়। কিন্তু ততক্ষণে তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিলেট শহরে পৌঁছে যান। এরপর যোগাযোগ করে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়। যাওয়া আসার পথে তিনি গণপরিবহন ব্যবহার করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রশাসন তার বাড়ি লকডাউন করেছে। এসময় থানার এসআই কৃষ্ণ মোহন দেবনাথ, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আজিজুল ইসলাম ও স্বাস্থ্যকর্মী শংকর দাস উপস্থিত ছিলেন।

Manual4 Ad Code

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আজিজুল ইসলাম জানান, আক্রান্ত যুবক ছাতকে চাকরি করতেন। ঈদে বাড়ি আসেন। তার করোনা উপসর্গ ছিল। বাড়িতে আলাদা ছিলেন। তাই নমুনা পরীক্ষায় দেন। ৮ দিন পার হলেও রিপোর্ট না আসায় তিনি সুস্থ মনে করে কর্মস্থলে চলে যান। রিপোর্ট আসার পর যোগাযোগ করলে জানা যায় তিনি সিলেটে। পে বাড়িতে এনে প্রশাসন বাড়ি লকডাউন করেছে। তিনি সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছেন।

থানার এসআই কৃষ্ণ মোহন দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার ২ জনের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসার পর স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে থানায় জানানো হয়। নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন শেষে দ্বিতীয় ব্যক্তির বাড়িতে যাওয়ার আগে তথ্য আসে তিনি সিলেটে। পরে যোগাযোগ করে বাড়িতে এনে তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

বড়লেখায় ২ বোনের করোনা পজিটিভ : মৃত ব্যবসায়ীর নেগেটিভ

Manual8 Ad Code

বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম এলাকায় নতুন করে দুই বোনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাদের একজনের বয়স ২৫ এবং অন্যজন ২৭। প্রশাসন তাদের বাড়ি লকডাউন করেছে। এ নিয়ে উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। তবে ইতিমধ্যে ৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এদিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার ১০ দিন পর পৌরশহরের হাটবন্দ এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী অনুরঞ্জন দেবনাথের রিপোর্ট নেভেটিভ এসেছে। গত ৭ জুন সিলেট নর্থইস্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রতœদীপ বিশ্বাস বুধবার সন্ধ্যায় জানান, একই পরিবারের দুইজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। করোনার উপসর্গ থাকায় গত ৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়। পজিটিভ রিপোর্ট আসায় বুধবার সকালে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যবসায়ী অনুরঞ্জন দেবনাথের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

বড়লেখায় দোকান খোলা রাখায় ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বড়লেখায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিকেল ৪ টার পর দোকান খোলা রাখায় ৭ ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে বড়লেখা পৌর শহরের হাজীগঞ্জ বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় থানার থানার উপপরিদর্শক রকিব মোহাম্মদ ও সুব্রত দাস উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বিকেল ৪ টার পর থেকে হাটবাজার, দোকানপাট এবং শপিংমল সমূহ বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কিছু ব্যবসয়ী সরকারি এ নির্দেশনা না মেনে অনেক রাত পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন। মঙ্গলবার বিকেল ৪ টার পর পৌর শহরের হাজীগঞ্জ বাজার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে শহরের উত্তর চৌমুহনী এলাকায় ৭ প্রতিষ্ঠান খোলা পাওয়া যায়। এসময় পৃথক ৭টি মামলায় তাদের ৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।#

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/eibela12/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!