এমপি ইসরাফিল আলম লাইফ সাপোর্টে : পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেসবুক পোস্টের জেরে হামলা- বড়লেখায় বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদলের ৫ নেতাকর্মী আহত, ১৩ জনের নামে মামলা সৌদি আরবে আগুনে নিহত আত্রাইয়ের বাকি ৫ জনের মরদেহ দেশে আসছে শনিবার  সিলেটে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নিন্দা কুলাউড়ায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যু মানবকল্যাণে অসামান্য অবদান- ‘প্রাইড অব বৃটেন’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন সিলেটী কন্যা রেহানা আহমেদ ওসমানীনগরে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা মৌলভীবাজারে যুব ব্লাড ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্নয় ক্যাম্পেইন ৮৬ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ! কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত পল্টন ট্র্যাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওসমানীনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

এমপি ইসরাফিল আলম লাইফ সাপোর্টে : পরিবারের পক্ষ থেকে দোয়া প্রার্থনা 

  • রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

Manual3 Ad Code

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই ::

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আস‌নের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ইসরা‌ফিল আলম রাজধানীর একটি হাসপাতা‌লে ক‌রোনা আক্রান্ত হ‌য়ে লাইফ সাপোর্টে আছেন।

রোববার ২৬ জুলাই  সকালে তার স্ত্রী সুলতানা পারভীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এসময় স্বামীর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

Manual4 Ad Code

স্বজনরা জানান, এমপি ইসরাফিল আলম দীর্ঘদিন ধরে যক্ষা রোগে ভুগছেন। এছাড়া ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি ও ফুসফুসের জটিল রোগে আক্রান্ত তিনি। ২০ জুন ইসরাফিল আলমের মা এসেদা রহমান মারা যান। পরদিন মায়ের জানাজায় অংশ নিয়ে দাফন সম্পন্ন করে ২২ জুন তিনি ঢাকায় ফিরে যান। এরপরই বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে। ভর্তির পর থেকে ক্রমেই তার শরীরের অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছিল। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা আরো জটিল অবস্থায় গেলে শনিবার দুপুরে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

এক সময়ের রক্তাক্ত জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিলো জেলার রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় সর্বহারারা দিনে-দুপুরে প্রকাশ্যে এই জনপদে মানুষকে জবাই করে রাখতো। এরপর জেএমবির তান্ডব। অশান্তি আর হাহাকারের বাতাস বইতে শুরু করে এই অঞ্চলে। ঠিক তখনই আর্বিভাব ঘঠে শ্রমিক নেতা ইসরাফিল আলমের। ২০০১সালের নির্বাচনে প্রথমে তার পরাজয় হয়। এরপর যখন সর্বহারা ও জেএমবির অত্যাচার মাত্রারিক্ত হয়ে গেলো তখন এই অঞ্চলের মানুষ ২০০৮সালে নৌকা মার্কায় ৩৬বছর পর ভোট দিয়ে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী আলমগীর কবিরকে পরাজিত করে বিএনপির দুর্গ হিসেবে খ্যাত নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনটিতে বিজয়ী করেন শ্রমিক নেতা মো: ইসরাফিল আলমকে। এরপর ২০১৮ সালেও তিনি সেই আলমগীর কবীরকে পরাজিত করে ৩য়বারের আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ইসরাফিল আলম তার দেওয়া কথা রেখেছেন। তিনি এমপি হওয়ার পর আওয়ামীলীগ সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় এই রক্তাক্ত জনপদ থেকে জবাই, হানাহানি, লুণ্ঠন, ছেলে ও স্বামী হারানোর কান্না থেকে রÿা করেছেন রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার মানুষকে। বর্তমানে তার চৌকশ নেতৃত্বের কারণে এই অঞ্চলে শান্তির সুবাতাস বইছে। যার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ কখনই তার বিকল্প খুঁজতে চাননি।

টানা তিনবারের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলমের জন্ম নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার গোনা ইউনিয়নের ঝিনা গ্রামে। তিতাস গ্যাস কোম্পানিতে মিটার রিডার হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। তার রাজনৈতিক শিক্ষাগুরু প্রয়াত আহসান উলøাহ মাস্টার। তিনি ঢাকা মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। চাকরি থেকে ইস্তাফা দিয়ে তিনি পুরোপুরি রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্বে আছেন। নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।। ইসরাফিল আলম অনেক গুনেগুনান্বিত। তিনি বর্তমানে টকশোর জগতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। এছাড়াও তিনি একজন তারকা কণ্ঠশিল্পী ও লেখক।

Manual5 Ad Code

মো: ইসরাফিল আলম নওগাঁ-৬ আসনে দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর পর ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী মোঃ আলমগীর কবিরকে পরাজিত করে বিএনপির দুর্গ হিসেবে খ্যাত এই আসনটিতে বিজয়ী হন। ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইসরাফিল আলম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন করেন তিনি।

Manual4 Ad Code

সাংসদ ইসরাফিল আলমের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীন বিউটি তার স্বামী ইসরাফিল আলমের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে বলেন ইসরাফিল আলম আত্রাই-রাণীনগর উপজেলার মানুষদের জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে এই অঞ্চলের মানুষদের সুখ আর শান্তির দায়ভার নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। দীর্ঘসময় তিনি এই অঞ্চলের মানুষদের সুখে-দু:খে পাশে থেকেছেন। নিজের এলাকার মানুষদের শান্তির কথা ভেবে তিনি সংসার, নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের ভুলে থাকতেন। করোনা ভাইরাসের এই সংকটময় সময়ে তিনি পরিবারকে ত্যাগ করে দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস তিনি এসে রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার মানুষদের পাশে থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন। আজ সেই মানুষটি অসুস্থ্য হয়ে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। আমি তার হয়ে আত্রাই-রাণীনগরের মানুষসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।#

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews