কুড়িগ্রামে ধর্ম ত্যাগ করে বিয়ে করলেন হিন্দু যুবক – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
`দিল্লী না ঢাকা’ স্লোগানে মুখর রবিরবাজার মসজিদ চত্ত্বর কমলগঞ্জের ডবলছড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ নারী ও শিশুকে পুশইন করেছে ভারতীয় বিএসএফ হাজারো মুসল্লির ‘আমিন, আমিন’ ধ্বনিতে মুখর শ্রীমঙ্গল নতুনবাজার জামে মসজিদ জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছেলের মৃত্যু, বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বড়লেখায় অসহায় আদিবাসিদের মাঝে ছাগল ও ঢেউটিন বিতরণ বিজিবির অভিযান: বড়লেখা সীমান্তে পিস্তল, চাপাতি ও বিস্ফোরক উদ্ধার বড়লেখায় দুর্নীতি বিরোধী স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণভাগ হাইস্কুল কমলগঞ্জে হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও এককালীন উপবৃত্তি প্রদান বহুমুখী সমস্যা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলীনের পথে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প হত্যা মামলায় গ্রেফতার জামায়াত নেতা খিজিরের জামিন মঞ্জুর

কুড়িগ্রামে ধর্ম ত্যাগ করে বিয়ে করলেন হিন্দু যুবক

  • শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২

Manual2 Ad Code

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর উপজেলায় সদর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।স্থানীয় ও ছেলে মেয়ের পরিবার সুত্রে জানা যায় উপজেলার বঙ্গোসোনাহাট  ইউনিয়নের বানুরকটি গ্রামেরে আমির হোসেন ও জাহানারা বেগম দম্পতির ছোটো মেয়ে পায়েল আক্তার (১৮) সাথে এই বিয়ে হয় অনুষ্ঠিত হয়।পায়েল উপজেলার সদর ইউনিয়ন পরিষদ এর পিছনে একটি ভারা বাসায় বসবাস করে আসছে তার মাকে নিয়ে,তার বাবা দিনাজপুরে কর্মরত সেখানেই থাকেন।

এদিকে উপজেলার একি এলাকায় বাসা ভারা নিয়ে থাকেন মৃত গোপাল রায়ের স্ত্রী নীলা রাণী (৫৫) দুই ছেলে ও এক ছেলের বউ সহ।নীলা রাণীর ছোটো ছেলে গৌতম (২৮) উপজেলা কলেজ মোড় রবি হোটেলে কর্মরত ছিলেন।গৌতম পায়েলের বাসায় অনেক আগে থেকে যাওয়া আসা করতো।যাওয়া আসা থেকে দুজনের পরিচয়,পরিচয় থেকে বন্ধুত্ত তারপর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ত থেকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর এই সম্পর্ককে ধরে রাখতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে গৌতম ও পায়েল দুজনেই গত (১১) আগস্ট শনিবার পালিয়ে যায় দিনাজপুরে ছেলের বন্ধুর কাছে পরে পায়েলের পরিবার পুলিশের মাধ্যমে অনেক খোঁজা খুঁজির পর (১৬ আগস্ট) মঙ্গলবার সন্ধান পায় তাদের।পুলিশের মাধ্যমে তাদের দু’জনকে উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী থানায় নিয়ে আসে ওই দিন রাতে।
তাদের কাছে বিয়ে করার একটি জর্জ কোটের কাগজ পায়।
পরে গৌতম ও পায়েলের পরিবার উভয় বিয়ের স্বীকৃতি দিয়ে থানা থেকে পায়েলের বাড়িতে নিয়ে যায় ছেলে মেয়েকে।
পায়েলের মা বলেন গৌতমকে আমাদের বাড়িতে আনার পর ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক তাকে কালেমা পড়ানো হয়েছে এবং আমাদের ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী আমরা আবার বিয়ে দিয়েছি।
গৌতমের মা এবং ভাইয়ের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
গৌতম  বলেন আমি প্রথমে সূরা পরে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করি পরে আমি ডাঃ দিয়ে মোসলমানিও করেছি  তারপর আমি পায়েলকে বিয়ে করেছি এখন আমার নাম মোঃ জীবন ইসলাম।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেনকে মুঠো ফোনে কয়েকবার ফোন দিলে সে মিটিং আছি বলে ফোন কেটে দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!