রাজনগরে আটকে আছে এডিবি ও রাজস্বখাতের উন্নয়ন :বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ

রাজনগরে আটকে আছে এডিবি ও রাজস্বখাতের উন্নয়ন :বন্টনে অনিয়মের অভিযোগ

  • বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩

Manual5 Ad Code

 
রাজনগর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::  মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার আট ইউনিয়নের মধ্যে রাজস্ব খাতের টাকার বন্ঠনে অনিয়মের কারণে ইউপি চেয়ারম্যানদের আপত্তির মুখে আটকে আছে উন্নয়ন কাজ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেন্ডার ও কাজ না হলে টাকাগুলো সরকারি কোষাগারে যেমন জমা হয়ে যাবে তেমনি উন্নয়ন বঞ্চিত হবে রাজনগরের সাধারণ মানুষ। এনিয়ে বিগত উপজেলা সমন্বয় সভায় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইউপি চেয়ারম্যানরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলার আট ইউনিয়নে উন্নয়নের জন্য চলতি অর্থবছরে এডিবির ৫৭ লক্ষ ৯৯ হাজার ও রাজস্ব খাতের ৩ কোটি ১৭ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার মজুত রয়েছে। বিগত অর্থ বছরগুলোতে জানুয়ারি মাসে টেন্ডার করেই কাজগুলো আদায় করা হতো। কিন্তু চলতি অর্থবছরে মার্চ মাসের অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও এখনো টেন্ডার প্রক্রিয়া হয়নি।

Manual1 Ad Code

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজস্ব খাতের উন্নয়নের জন্য অর্থ বছরের মাঝামাঝিতে উপজেলার আট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের ১০ লক্ষ টাকা করে প্রকল্প দেয়ার জন্য চিঠি দেয়া হয়। ওই চিঠিতে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার উল্লেখ ছিল। কিন্তু চেয়ারম্যানরা প্রকল্প দেয়ার পর পরবর্তী সমন্বয় সভায় এসে দেখেন টাকার অংক হয়ে গেছে ৩ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা।

Manual8 Ad Code

এসময় মনসুরনগর ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত আপত্তি জানান এবং রেজুলেশনে উল্লেখ রাখার জন্যও বলেন। এ সভায় আর তেমন কিছু না হলেও পরবর্তী সভায় আবারো দেখা যায় বরাদ্দ বেড়ে হয়ে গেছে ৩ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা। সমন্বয় সভায় বিষয়গুলো উত্তাপন না করে প্রকল্পগুলো পাস কারায় চেয়ারম্যানরা আপত্তি জানান।

এছাড়াও কোন ইউনিয়নে ২১ লাখ আবারো কোন ইউনিয়নে ৫৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারির অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় নেছার আহমদ এমপির উপস্থিতে চেয়ারম্যানরা তাদের আপত্তির বিষয়টি তুলে ধরেন।

এছাড়াও ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত তার আপত্তির বিষয়টি রেজুলেশনে না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সমন্বয় সভার উপদেষ্ঠা নেছার আহমদ এমপি সমহারে বন্ঠনের নির্দেশ দিয়ে প্রকল্পগুলো স্থগিত রাখার জন্য পরামর্শ দেন।

পাঁচগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ছানা বলেন, আমাদের ১০ লক্ষ টাকার প্রকল্প দেয়ার জন্য বলা হয়। এসময় বরাদ্দ দেখানো হয় ১ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা। কিন্তু এটাকা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ কোটি ৭৬ লক্ষ। আমরা জানিই না। বন্ঠন অনিয়ম ও আমাদের অজ্ঞাতে প্রকল্প পাস করায় আমরা সকল চেয়ারম্যান আপত্তি জানিয়েছি এবং সমহারে বন্ঠন করার দাবি জানিয়েছি।

ইউপি চেয়ারম্যান মিলন বখত বলেন, গত সভায় এ বিষয়ে আমরা সকল চেয়ারম্যান আপত্তি জানিয়েছি। সভায় উপস্থিত এমপি মহোদয়ও এবিষয়ে সমহারে বন্ঠনের নির্দেশ দিয়ে প্রকল্পগুলো স্থগিত রাখার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রকৌশলীর মোবাইল ফোনে কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

Manual3 Ad Code

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার মিতা বলেন, আমি রাজনগর আসার আগে অক্টোবর মাসে প্রকল্পগুলো পাস করা হয়েছে। চেয়ারম্যানরা আপত্তি জানিয়েছেন। উন্নয়ন কাজের সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন। #

Manual4 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews