কমলগঞ্জে দূর্গন্ধযুক্ত ও পঁচা টিসিবির চাল বিতরণের অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় থানা পুলিশের অভিযানে চোরাচালান পণ্য উদ্ধার, গ্রেফতার ৩ বড়লেখা সীমান্তে পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, প্রতিরোধে বিজিবি-জনতার কঠোর অবস্থান বাংলাদেশের আতিথেয়তা খাতে নতুন দিগন্ত: আন্তর্জাতিক ‘গোল্ডেন কীস’ সম্মাননা পেলেন বড়লেখার জাবেদ জুড়ীতে প্রবাস ফেরত ছেলের কুড়ালের আঘাতে কৃষক বাবার মৃত্যু `দিল্লী না ঢাকা’ স্লোগানে মুখর রবিরবাজার মসজিদ চত্ত্বর কমলগঞ্জের ডবলছড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ নারী ও শিশুকে পুশইন করেছে ভারতীয় বিএসএফ হাজারো মুসল্লির ‘আমিন, আমিন’ ধ্বনিতে মুখর শ্রীমঙ্গল নতুনবাজার জামে মসজিদ জুড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছেলের মৃত্যু, বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক বড়লেখায় অসহায় আদিবাসিদের মাঝে ছাগল ও ঢেউটিন বিতরণ বিজিবির অভিযান: বড়লেখা সীমান্তে পিস্তল, চাপাতি ও বিস্ফোরক উদ্ধার

কমলগঞ্জে দূর্গন্ধযুক্ত ও পঁচা টিসিবির চাল বিতরণের অভিযোগ

  • মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫

Manual1 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার ইউনিয়নে টিসিবি (ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ) এর আওতায় বিতরণ করা চাল দূর্গন্ধযুক্ত, কালচে রঙের ও খাওয়ার অনুপযোগী, এমন অভিযোগ করেছেন উপকারভোগীরা। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকাল ১১ টায় মুন্সীবাজার ইউনিয়নের ৩৫২ জন কার্ডধারী উপকারভোগীর (এর মধ্যে ২২ জনের কার্ড বাতিল) মধ্যে চাল, ডাল, চিনি ও তেল বিতরণ করেন প্রশাসন টিসিবি ডিলার মো. আকবর হোসেন। উপকারভোগীরা জানান, টাকা দিয়ে পণ্য নেওয়ার পর তারা দেখতে পান চালের রং কালচে, তীব্র দূর্গন্ধযুক্ত এবং খাওয়ার অযোগ্য। এক নারী উপকারভোগী বলেন, এমন চাল পশুকেও খাওয়ানো যায় না, মানুষকে দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।”

অন্য এক প্রবীণ উপকারভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার আমাদের সহায়তা দিচ্ছে, কিন্তু স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত নিম্নমানের চাল সরবরাহ করে আমাদের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে।

Manual8 Ad Code

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, ইচ্ছাকৃতভাবে খাদ্য গুদাম থেকে নিম্নমানের চাল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং এর সঙ্গে দুর্নীতির যোগসাজশ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, গত বছরও একইভাবে কমলগঞ্জ সদর খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা আজিজুর রহমান ও শমসেরনগর খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা ইসমাম ইবনে খতিব গোপন যোগসাজশে স্থানীয় মিলার এর কাছ থেকে নিম্নমানের ১৪ শত টন চাল গ্রহণ করা হয়েছিল, তবে রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

টিসিবির ডিলার মো. আকবর হোসেন বলেন, আমাকে চাল সরবরাহ করেছেন জনবান্ধব খাতের ডিলার আবু আহমেদ। আমি যে চাল পেয়েছি, সেটিই জনগণের মধ্যে বিক্রি করেছি।

খাদ্যবান্ধব খাতের ডিলার আবু আহমেদ বলেন, শমসেরনগর খাদ্য গুদাম থেকে যে চাল পেয়েছি, সেটিই আকবর হোসেনকে দিয়েছি। চাল ভালো না খারাপ তা আমাদের দেখার সুযোগ নেই।

শমসেরনগর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাম ইবনে খতিব স্বীকার করেন, গুদামের কিছু চাল খারাপমানের ছিল, হয়তো কয়েক বস্তা ভুলবশত চালানে গেছে।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা রুমি রানী দেব জানান, অভিযোগ পেয়েছি। গত বছরের কিছু চাল গুদামে ছিল, সেগুলো হয়তো চালানে গেছে। ব্যবহার অনুপযোগী চাল ফেরত এনে ভালো চাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Manual5 Ad Code

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, চালের মান খারাপের অভিযোগ পেয়েছি। গত বছরও একই ঘটনা ঘটেছিল। বিষয়টি খাদ্য কর্মকর্তাকে জানিয়েছি, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!