কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিজিবির অভিযান: বড়লেখা সীমান্তে পিস্তল, চাপাতি ও বিস্ফোরক উদ্ধার বড়লেখায় দুর্নীতি বিরোধী স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণভাগ হাইস্কুল কমলগঞ্জে হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও এককালীন উপবৃত্তি প্রদান বহুমুখী সমস্যা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলীনের পথে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প হত্যা মামলায় গ্রেফতার জামায়াত নেতা খিজিরের জামিন মঞ্জুর আ.লীগের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে কুড়িগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত  কমলগঞ্জ মেয়ের বিয়ের জন্য রাখা টাকা চুরি কমলগঞ্জে ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আদায় আত্রাইয়ে নদীর তীরে পড়েছিল এনজিও কর্মীর মরদেহ বড়লেখায় পোনামাছ বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ির জরিমানা

কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে

  • বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

Manual8 Ad Code
মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ::

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কালজানি নদীতে রোববার (৫ অক্টোবর) ভারতের দিক থেকে হাজার হাজার গাছের গুঁড়ি ভেসে এসেছে। এসব গাছের বেশিরভাগই বাকল ও শিকড়বিহীন এবং লালচে রঙের হওয়ায় স্থানীয়রা এগুলোকে রক্তচন্দন বা শ্বেতচন্দন কাঠ ভেবে নদী থেকে সংগ্রহে নেমে পড়েছেন।

Manual5 Ad Code

কালজানি নদী থেকে দুধকুমার নদী ও চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র পর্যন্ত পৌঁছানো এসব গুঁড়ি ধরে নিয়ে তীরে অস্থায়ী কাঠের হাট গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একেকটি গাছের গুঁড়ির দাম ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হ্যান্ডেল করা হচ্ছে। রায়গঞ্জ ইউনিয়নের বড় লালচে গাছের গুঁড়ির দাম এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

Manual6 Ad Code

নাগেশ্বরীর দামালগ্রামের আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘চারজন মিলে প্রায় ৫০ ফুট লম্বা একটি গাছ তুলেছি। দেখতে চন্দনের মতো, দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করব।’ অন্যদিকে কিছু লোক গাছের গুঁড়ি জ্বালানি কাঠ হিসেবে কিনছেন।

কুড়িগ্রাম জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, ‘এই কাঠগুলো আসল চন্দন নয়। দীর্ঘদিন পানিতে থাকার কারণে লালচে রঙ ধারণ করেছে। শ্বেত বা রক্তচন্দনের কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি।’

Manual8 Ad Code

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উদ্ভিদবিদ মীর্জা নাসির উদ্দিন বলেন, ‘কাঠে থাকা ট্যানিন ও ফেনলিক যৌগ পানিতে ভেজার ফলে বাতাসের সংস্পর্শে এসে লালচে রঙ ধারণ করে। তাই দেখতে চন্দনের মতো হলেও এগুলো সাধারণ গাছের কাঠ। প্রকৃত চন্দনের মতো গন্ধও নেই।’

উৎসুক জনতা নদীতে নেমে কাঠ সংগ্রহের পাশাপাশি তীরে বিক্রি শুরু করায় নদীর তীরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বন বিভাগ এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। #

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!