কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে রুহেল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরসের সাফল্য—৪২টি পর্তুগাল ভিসা সম্পন্ন হাকালুকি হাওর পাড়ের কৃষকদের বৈরী আবহাওয়া আর বানের জলের সাথে লড়াই  ছাতক কৃষকের কান্না : পাহাড়ি ঢল–টানা বৃষ্টিতে ফসল ডুবছে ভুয়া এলসিতে পাচারকালে- বড়লেখায় দেড় কোটি টাকার ভারতীয় জিরার চালান জব্দ : গ্রেফতার ১, বিজিবির ওপর হামলা ওসমানীনগরে পোস্ট অফিসে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা পয়সা লুট ঢাকা-সিলেট ডাবল রেললাইন হবে: প্রধানমন্ত্রী কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটক ২ জুড়ীতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিজিবির খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান মে দিবসের চেতনায় মজুরি বৈষম্যের অবসান হয়নি নারী শ্রমিকদের ছাত‌কে প্রবাসীর পক্ষে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশে দুই দোকানঘর জব্দ

কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে

  • বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

Manual3 Ad Code
মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ::
Manual6 Ad Code

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কালজানি নদীতে রোববার (৫ অক্টোবর) ভারতের দিক থেকে হাজার হাজার গাছের গুঁড়ি ভেসে এসেছে। এসব গাছের বেশিরভাগই বাকল ও শিকড়বিহীন এবং লালচে রঙের হওয়ায় স্থানীয়রা এগুলোকে রক্তচন্দন বা শ্বেতচন্দন কাঠ ভেবে নদী থেকে সংগ্রহে নেমে পড়েছেন।

Manual7 Ad Code

কালজানি নদী থেকে দুধকুমার নদী ও চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র পর্যন্ত পৌঁছানো এসব গুঁড়ি ধরে নিয়ে তীরে অস্থায়ী কাঠের হাট গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একেকটি গাছের গুঁড়ির দাম ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হ্যান্ডেল করা হচ্ছে। রায়গঞ্জ ইউনিয়নের বড় লালচে গাছের গুঁড়ির দাম এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

নাগেশ্বরীর দামালগ্রামের আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘চারজন মিলে প্রায় ৫০ ফুট লম্বা একটি গাছ তুলেছি। দেখতে চন্দনের মতো, দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করব।’ অন্যদিকে কিছু লোক গাছের গুঁড়ি জ্বালানি কাঠ হিসেবে কিনছেন।

Manual2 Ad Code

কুড়িগ্রাম জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, ‘এই কাঠগুলো আসল চন্দন নয়। দীর্ঘদিন পানিতে থাকার কারণে লালচে রঙ ধারণ করেছে। শ্বেত বা রক্তচন্দনের কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি।’

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উদ্ভিদবিদ মীর্জা নাসির উদ্দিন বলেন, ‘কাঠে থাকা ট্যানিন ও ফেনলিক যৌগ পানিতে ভেজার ফলে বাতাসের সংস্পর্শে এসে লালচে রঙ ধারণ করে। তাই দেখতে চন্দনের মতো হলেও এগুলো সাধারণ গাছের কাঠ। প্রকৃত চন্দনের মতো গন্ধও নেই।’

Manual2 Ad Code

উৎসুক জনতা নদীতে নেমে কাঠ সংগ্রহের পাশাপাশি তীরে বিক্রি শুরু করায় নদীর তীরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বন বিভাগ এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। #

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!