কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে সুজন’র ‘জনগণের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠান স্থগিত পাহাড়ে গাছ কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনায় কুলাউড়ার বরমচালে যুবকের মৃত্যু সততা, সাহস ও নিষ্ঠাই নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারিদের বড় শক্তি -মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মৌলভীবাজার-১ আসন- বড়লেখা বিএনপিতে ঐক্য, দলের প্রার্থীর পক্ষে অভিমানী নেতারাও নামছেন প্রচারণায় কুড়িগ্রামে সড়কে অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি ও গাছ রেখেই চলছে নির্মাণ কাজ সুনামগঞ্জ–৫ আসনে ধানের শীষের গণজোয়ার–কলিম উদ্দিন মিলন কুলাউড়ায় এক পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৪৯ দুর্নীতিমুক্ত ইনসাফ ন্যায় ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে চাই–মাওলানা মামুনুল হক জয় দিয়ে সুপার সিক্স শুরু বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন ও গণমাধ্যম একটি দলের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করছে: নাহিদ ইসলাম

কুড়িগ্রামে নদীতে ভেসে আসা গাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে ‘চন্দন কাঠ’ নামে

  • বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

Manual1 Ad Code
মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ::
Manual8 Ad Code

কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার কালজানি নদীতে রোববার (৫ অক্টোবর) ভারতের দিক থেকে হাজার হাজার গাছের গুঁড়ি ভেসে এসেছে। এসব গাছের বেশিরভাগই বাকল ও শিকড়বিহীন এবং লালচে রঙের হওয়ায় স্থানীয়রা এগুলোকে রক্তচন্দন বা শ্বেতচন্দন কাঠ ভেবে নদী থেকে সংগ্রহে নেমে পড়েছেন।

কালজানি নদী থেকে দুধকুমার নদী ও চিলমারীর ব্রহ্মপুত্র পর্যন্ত পৌঁছানো এসব গুঁড়ি ধরে নিয়ে তীরে অস্থায়ী কাঠের হাট গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, একেকটি গাছের গুঁড়ির দাম ২০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হ্যান্ডেল করা হচ্ছে। রায়গঞ্জ ইউনিয়নের বড় লালচে গাছের গুঁড়ির দাম এক লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ধরা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

নাগেশ্বরীর দামালগ্রামের আব্দুল মোতালেব বলেন, ‘চারজন মিলে প্রায় ৫০ ফুট লম্বা একটি গাছ তুলেছি। দেখতে চন্দনের মতো, দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করব।’ অন্যদিকে কিছু লোক গাছের গুঁড়ি জ্বালানি কাঠ হিসেবে কিনছেন।

কুড়িগ্রাম জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান জানান, ‘এই কাঠগুলো আসল চন্দন নয়। দীর্ঘদিন পানিতে থাকার কারণে লালচে রঙ ধারণ করেছে। শ্বেত বা রক্তচন্দনের কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি।’

Manual3 Ad Code

কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও উদ্ভিদবিদ মীর্জা নাসির উদ্দিন বলেন, ‘কাঠে থাকা ট্যানিন ও ফেনলিক যৌগ পানিতে ভেজার ফলে বাতাসের সংস্পর্শে এসে লালচে রঙ ধারণ করে। তাই দেখতে চন্দনের মতো হলেও এগুলো সাধারণ গাছের কাঠ। প্রকৃত চন্দনের মতো গন্ধও নেই।’

উৎসুক জনতা নদীতে নেমে কাঠ সংগ্রহের পাশাপাশি তীরে বিক্রি শুরু করায় নদীর তীরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বন বিভাগ এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। #

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/eibela12/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!