মাধবপুরে নতুন জাতের ধান চাষ,  উচ্চ ফলনে কৃষকের মুখে হাসি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা ছাতকে সুরমা নদীভাঙনে বিলীন স্কুল-মসজিদ নদী : আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের মানুষ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা  বড়লেখা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা- ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণেই রাজনীতি করি : শরীফুল হক সাজু সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে – যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ

মাধবপুরে নতুন জাতের ধান চাষ,  উচ্চ ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

  • বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

Manual7 Ad Code

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি::

Manual4 Ad Code

দেশের কৃষিজমির পরিমাণ দিন দিন কমছে অথচ জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের চাহিদা বেড়েই চলেছে। এই বাস্তবতায় কৃষিতে উৎপাদন বাড়াতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবন করেছে দেশীয় নতুন উচ্চফলনশীল ধান ব্রি ধান-১০৩। স্বল্প জমিতে বেশি ফলনের কারণে ইতোমধ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার কৃষকদের মাঝে এই জাতটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে মাধবপুর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শতাধিক কৃষকের ১০০ একর জমিতে ব্রি ধান-১০৩ এর ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষক বধু মিয়া সহ শতাধিক কৃষক কৃষাণী, কৃষি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আকতারুজ্জামান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে কৃষি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে, কিন্তু এই ক্ষতি পুষিয়ে দিতে হলে আমাদের উচ্চফলনশীল জাতের দিকে যেতে হবে। ব্রি ধান-১০৩ এমন এক জাত, যা মাত্র ১১০ থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে ফসল দেয়। এর ফলে কৃষক একই জমিতে বছরে তিন ফসল তুলতে পারেন, যা কৃষি অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখবে।” হবিগঞ্জ নাগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. পার্থ সারথি বিশ্বাস বলেন, “ব্রি ধান-১০৩ জাতটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সহনশীল এবং রোগবালাই প্রতিরোধী। এর ফলন একর প্রতি গড়ে ৭ টনেরও বেশি, যা প্রচলিত জাতের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। এছাড়া এর চাল ঝরঝরে, সাদা ও বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়।”

Manual7 Ad Code

চৌমুহনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ বলেন, “আমাদের এলাকায় কৃষকরা ব্রি ধান-১০৩ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। এর ফলন দেখে অন্য কৃষকরাও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন। সরকার যদি এই জাতটি সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়, তবে ধান উৎপাদনে নতুন বিপ্লব ঘটবে।”

Manual8 Ad Code

স্থানীয় কৃষক বদু মিয়া বলেন, “আগের জাতের ধানে যেখানে একরপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ মণ ফলন পেতাম, এখন ব্রি ধান-১০৩ এ ৪০ মণেরও বেশি পেয়েছি। খরচও কম, ধানও ভালো মানের। এমন ফসল পেয়ে আমরা খুব খুশি।”

এতে আরো বক্তব্য দেন হবিগঞ্জ নাগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শাহানা পারভীন। তিনি বলেন, “ব্রি ধান-১০৩ হলো আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এক সফল জাত। এটি খরা ও অতিবৃষ্টির প্রতিকূল পরিবেশেও ভালো ফলন দেয়। ভবিষ্যতে আমরা এই জাতের আরও উন্নত সংস্করণ তৈরি করছি, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!