এইবেলা, কুলাউড়া ::
মৌলভীবাজার -০২ (কুলাউড়া) আসনে জনপ্রিয় প্রতিক ফুটবল। এই ফুটবল প্রতিক নিয়ে বিজয়ী (গোল করে) হয়ে চমক দেখাতে চান এই আসনের ৩ বারের সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাস খান।
সংসদ নির্বাচনে ২০০১ সালে বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে ফুটবল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করেন এমএম শাহীন। ৭৬ সহস্রাধিক ভোট পেয়ে তিনি ডাকসুর সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মো: মনসুর আহমদকে। সেসময় দেশব্যাপী বিষয়টি ছিলো আলোচিত। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনেও এমএম শাহীন ফুটবল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করে পরাজিত হন। পরাজিত হলেও ভোট পান ৬৪ হাজার ৯৪২ ভোট। এরপর থেকে কুলাউড়ায় যেকোন নির্বাচনে এই ফুটবল প্রতিক একটা ক্রেজ।
১৬ বছর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও ফুটবল প্রতিক পেয়েছেন কুলাউড়ার মানুষ। তবে ফুটবলের নতুন কান্ডারী একসময়ের জনপ্রিয় ও ৩ বারের সাবেক এমপি নওয়াব আলী আব্বাস খান।
১৯৮৮. ১৯৯১ ও ২০০৮ সালে নওয়াব আলী আব্বাস খান মৌলভীবাজার ০২ কুলাউড়া আসনে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন লাঙ্ল প্রতিক নিয়ে। জাতীয় পার্টির একজন ভ্যানগার্ড ছিলেন তিনি। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর ২০১৪ সালে জাতীয় পার্টি ছেড়ে বিএনপি জোটে যোগ দেন তিনি। করেননি আর নির্বাচন।
এবার বিএনপি জোট থেকেও মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে নওয়াব আলী আব্বাস খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তার প্রতিক এবার ফুটবল। ফুটবল প্রতিকেই তিনি এবার চমক দেখাতে চান।
নওয়াব আলী আব্বাস খানের সমর্থক শাহজাহান চৌধুরী জানান, আওয়ামী লীগের ভোট, চা শ্রমিকদের ভোট, ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ত্বা, নিজের এবং ফুটবলের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হবেন।
নওয়াব আলী আব্বাস খান বলেন, কুলাউড়ার মানুষের কাছে জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমি পরীক্ষিত । ৩ বার সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংসদে ও এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক ভুমিকা রেখেছি। সেই পুরানো অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই। এটাই আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। আমি বিজয়ী হলে কুলাউড়া হবে শান্তির জনপদ। উন্নয়নের পাশাপাশি সকল দল মত ধর্ম বর্ণ সকলের শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান নিশ্চিত হবে।#