কুলাউড়ায় পৈত্রিক ভিটা জবরদখলের অভিযোগে প্রবাসী ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
১২ বছরেও মিলেনি স্ত্রী-পুত্রের স্বীকৃতি- বড়লেখায় প্রতিবন্দ্বী যুবতীকে ধর্ষণে সন্তান প্রসব : সেই ধর্ষক আবারও কারাগারে কমলগঞ্জে ৬ দিনব্যাপী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা চলছে নাগেশ্বরীতে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় ছাতক-গোবিন্দগঞ্জ সড়কের গাছ কাটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ সাড়ে ৩ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড কমলগঞ্জে এসএসসি-২০২৬ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান কুলাউড়ায় জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার

কুলাউড়ায় পৈত্রিক ভিটা জবরদখলের অভিযোগে প্রবাসী ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

  • বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
oplus_0

Manual4 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া  :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় পৈত্রিক ভিটা জবরদখল করে ৩ ভাইকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করেছেন বড়ভাই। এমন অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওমান প্রবাসী ও উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের চান্দগাঁও গ্রামের বাসিন্দা শাহিন মিয়া।

Manual6 Ad Code

লিখিত বক্তব্যে প্রবাসী শাহিন মিয়া বসতবাড়িতে ফেরার আবেদন জানিয়ে বলেন, আমার পিতা মৃত রুশন আলী। আমাদেও ছোট রেখে বাবা মারা যান। পরিবারে ৪ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট। আমি দীর্ঘদিন থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে বসবাস করছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, প্রায় ২০ বছর আগে আমাদের মৌরসি সম্পত্তি বিক্রি করে অন্যত্র চার ভাইয়ের নামে ৫২ শতক জমি দলিল করে বাড়ি তৈরি করা হয়। সেই বাড়িতে আমরা চার ভাই একত্রে বসবাস করলেও ২০২১ সালে বড় ভাইয়ের কারণে আমরা চার ভাই আলাদা হয়ে যাই। এরপর আমি আমার অংশে একটি পাকা ও কাচা ঘর তৈরির কাজ শুর করি। কাঁচা ঘরে আমার পরিবার কিছুদিন থাকলেও পাকা ঘরের কাজ নির্মাণাধীন থাকাবস্থায় আমার বড়ভাই লিয়াকত আলী আমি প্রবাসে থাকাবস্থায় ২০২৩ সালে আমার স্ত্রী সেলিনা বেগম ও অবুঝ দুটি মেয়ে সন্তানকে আমার বসতঘর থেকে জোরপূর্বক বের করে দেন। বর্তমানে ওই বাড়ির ভূমি নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হলে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকে বিচারকদের সিদ্ধান্ত উপস্থিতভাবে মেনে নিলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য আমার ভাই লিয়াকত আলী মোটা অংকের টাকা দাবি করেন।

Manual8 Ad Code

একই নিয়মে ২০২২ সালে আমি বিচারকদের সিদ্ধান্তমতে দেড় লক্ষ টাকা আমার ভাই লিয়াকতকে দিয়েছি। সেই লোভে আমার ভাই লিয়াকত আমি যতবার প্রবাস থেকে দেশে আসি ততবারই বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে আমাকে টাকার জন্য হয়রানি করে আসছেন। বর্তমানে আমার ভাই লিয়াকত আলীর বাঁধার কারণে আমি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসতবাড়িতে ঢুকতে পারছিনা। যাযাবরের মতো স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন আত্মীয়- স্বজনদের বাড়িতে দিনযাপন করছি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রবাসী শাহিন মিয়া বলেন, আমরা যৌথ থাকাবস্থায় আমিসহ অন্য ভাইয়েরা প্রবাসে টাকা উপার্জন করে বাড়িতে বড়ভাই লিয়াকত আলীর কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা পাঠাই। তিনি সেই টাকা নিজের মতো করে খরচ করেন এবং আমাদের সকল ভাইয়ের নামে দলিল না করে চতুরতার আশ্রয় নিয়ে প্রায় ১৫০ শতক জমি নিজের নামে দলিল সম্পাদন করেন। তিনি কর্মধা ইউনিয়নের তিন সন্তানের জননী এক মহিলার সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হন। দীর্ঘদিন পরকীয়া চলার পর উপযুক্ত তিন সন্তানকে রেখে ওই মহিলা আমার ভাইয়ের সাথে আমাদের বাড়িতে চলে আসে। সেই মহিলা আমাদের বাড়িতে আসার পর থেকে সংসারে নানা অশান্তি শুরু হয়।

বিষয়টি নিয়ে হাজীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াদুদ বক্স, ইউপি সদস্য রাজা মিয়ার কাছে একাধিকবার ধরণা দিলেও তারা বিষয়টির স্থায়ী কোন সমাধান করে দেননি। বরং তারা বিষয়টি সমাধান না করার জন্য নানা টালবাহানা করতে থাকেন। চলতি বছরের ৯ অক্টোবর আমি ওমান থেকে দেশে আসলে সকল বিরোধের মীমাংসার উদ্যোগ নিলেও আমার ভাই তাতে কোন সাড়া দেননি।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুর আহমদ চৌধুরী বুলবুল, মেম্বার রাজা মিয়া ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করলে তারা সালিশি বৈঠক করেন। বৈঠকে আমার ভাই উপস্থিত সকলের সামনে সিদ্ধান্ত মেনে নিলেও বাড়িতে গিয়ে তিনি সিদ্ধান্ত বদলে আমার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। বর্তমানে আমার ভাই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সবসময় বসে থাকেন যাতে আমি বসতবাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঢুকতে না পারি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্থানীয় মুরব্বি তাজু মিয়া, কনু মিয়া, প্রবাসী শাহিনের স্ত্রী সেলিনা বেগম, বোন সিরাজুন বেগম ও দিলারা বেগম, ভগ্নিপতি জমসেদ খা ও লিয়াকত আলী।

Manual1 Ad Code

অভিযোগ প্রসঙ্গে লিয়াকত আলী মুঠোফোনে জানান, আমার ভাই বাড়ি আসতে আমার কোন আপত্তি নেই। আমার পাওনা টাকা দিতে হবে বলেই সেই ভয়ে সে বাড়িতে আসছে না। এক লাখ ত্রিশ হাজার টাকা পেয়েছি সত্য কথা কিন্তু বাকি টাকা সে এখনো দিচ্ছে না।

হাজীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নুর আহমদ চৌধুরী বুলবুল জানান, লিয়াকত আলী টাকা ছাড়া কিছুই বুঝে না। টাকার জন্য তার আরো দুই ভাইকে বাড়ি থেকে বিদায় করেছে। এখন চাচ্ছে ছোটভাইকেও বাড়ি থেকে বের করে দিতে। #

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!