সিলেট প্রতিবেদক :: সিলেট নগরীতে চলাচলকারী সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলোর গলা কাটাভাড়া, যত্রতত্র স্ট্যান্ড, রাতে অনিয়মত্রান্তিক ভাবে সিন্ডিকেট করে ভাড়া বৃদ্ধিতে অতিষ্ঠ নগরবাসী। এছাড়া নগরীতে চুরি ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত অনেক সিএনজির মাধ্যমে নানা অনিয়ম হচ্ছে। এই অনিয়মগুলো দূর করে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে চাই আমরা। তাই নগরীতে গণপরিবহন চালুর উদ্যোগ নিচ্ছি। সিএনজিগেুলোকে শৃঙাখলায় ফেরাতে এখন থেকে নগরীর সিএনজিতে তিনজনের বেশি যাত্রী তোলা যাবে না এমন নির্দেশনা দিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী। একই সঙ্গে প্রতিটি সিএনজির সামনে ও পেছনে নিরাপত্তা গ্রিল লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে ও নগরীতে ব্যাটারিত চালিত অটো রিকশা নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকালে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দপ্তরে সিএনজি চালিত থ্রি–হুইলার ও প্যাডেলচালিত রিকশার ভাড়া নির্ধারণ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা দেন কমিশনার।
সভায় রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশ নেন। সিলেট নগরবাসীর সুবিধার্থে সিএনজি ও রিকশার যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণে তারা মতামত দেন।
সভায় কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেন, ‘নগরবাসীর স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভাড়ার বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে নির্ধারণ করা হবে। এতে চালক ও যাত্রী দু’পক্ষেরই স্বার্থ রক্ষা পাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে সিএনজি চলাচলে নানা অনিয়ম হচ্ছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি সিএনজিতে নিরাপত্তা গ্রিল স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হবে । এছাড়াও আমরা প্রতিনিয়ত ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাদের আটক করা হচ্ছে, একটি কথা পরিষ্কার সিলেট নগরীতে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা নিষিদ্ধ। আমরা দ্রুতই নগরীতে গণপরিবহন চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছি।