রাজনগরে মানবপাচারের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানীর দাবি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনগর উপজেলা বিএনপির দু’বছর মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন বড়লেখায় হাকালুকি হাওরপারে বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতির মহড়া শুধু ভালো ফলাফল নয়, ভালো মানুষ হওয়াই শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য- অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক ছাতকে ৭২ বছরের মস্তাবের ঘর ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ আত্রাইয়ে পানিতে পড়ে যুবকের মৃত্যু কমলগঞ্জে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা; চালক নিখোঁজ কুলাউড়ার বিজয়া বাগানের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা ফেরত পেলো চা শ্রমিক পরিবার কাতারে বহুতল ভবন থেকে পড়ে কুলাউড়ার এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু কুলাউড়ায় জলবায়ূ সহনশীল জীবিকা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরামর্শ কর্মশালা বড়লেখায় যাতায়াত রাস্তা বন্ধ ও ভূমি দখলের মামলা করায় বাদিকে হুমকি-ধমকি

রাজনগরে মানবপাচারের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানীর দাবি

  • শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

Manual5 Ad Code

এইবেলা, রাজনগর ::

মৌলভীবাজারের রাজনগরে মানবপাচারের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানি করার দাবি করেছেন উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামের মো. কয়েশ আহমদ। একজনকে ফ্রান্সে নেয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষের মধ্যে লেনদেনের ’মিডিয়া’ হিসেবে তাকে রাখা হলেও এখন তাকে মানবপাচারকারী হিসেবে উল্ল্যেখ করে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এতে ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক সম্মানহানী করা হচ্ছে বলে রাজনগর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছেন তিনি।

Manual8 Ad Code

লিখিত বক্তব্যে মো. কয়েশ আহমদ বলেন, গত ২০১৮ সালের আগস্ট মাসে রাজনগর উপজেলার উত্তরভাগ ইউনিয়নের উমরপুর গ্রামের লিয়াকত মিয়া লেবু তার মেয়ে খাদিজা আক্তার সীমাকে ফ্রান্সে তার স্বামীর কাছে পাঠানোর জন্য সিলেট সদরের বোরবোরিপাড়া এলাকার হাবিবুর রহমান সুজনের সাথে কথা বলেন।

তাদের দুইপক্ষের পূর্ব পরিচিত হওয়ায় আলাপ-আলোচনা ও লেনদেনের ‘মধ্যস্ততাকারী’ হিসেবে মো. কয়েশ আহমদকে রাখেন।

Manual4 Ad Code

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লিয়াকত আলী লেবুর মেয়েকে ভারতে নিয়ে গিয়ে ফ্রান্সের ভিসা পাসপোর্টে লাগানোর পর কয়েশ আহমেদের কাছে গচ্ছিত রাখা ১৪ লক্ষ টাকা হাবিবুর রহমান সুজনকে দেয়ার কথা ছিল। পরে ভারতে যাওয়ার কয়েকদিন পর খাদিজা আক্তার সীমা ও তার দেবর রায়হান আহমদ ফ্রান্সের ভিসা পাসপোর্টে লাগানো হয়েছে বলে কয়েশ আহমদকে জানান।

ভিসা হয়ে যাওয়ার পর হাবিবুর রহমান সুজনের দেয়া তিনটি একাউন্টে ১৪ লাখ টাকা জমা দেন তিনি। এ সময় লেবু মিয়াও সঙ্গে ছিলেন। পরে ফ্রান্সে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভারতের পাঞ্জাবের অমৃতসর বিমানবন্দরে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত অফিসাররা ভিসাটি জাল বলে শনাক্ত করেন। বিষয়টি জানার পর কয়েক দফা চেষ্টা করেও হাবিবুর রহমান সুজনের কাছ থেকে কেনো সদুত্তর না পাওয়ায় এবং লিয়াকত আলী কর্তৃক বারবার টাকার জন্য হুমকি-ধমকি দেয়ায় মৌলভীবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন বলে তিনি জানান।

Manual8 Ad Code

মূলত দুইপক্ষের লেনদেনে মধ্যস্ততাকারী হিসেবে তাকে রাখা হলেও গত ১৬ নভেম্বর রাজনগর প্রেসক্লাবে খাদিজা আক্তার সীমার দেবর রায়হান আহমদ তার বিরোদ্ধে ‘মানবপাচারকারী’ আখ্যায়িত করে অভিযোগ আনেন। এই অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করে তিনি বলেন, ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক সম্মানহানী করতেই এমন অভিযোগ করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কয়েশ আহমদ বলেন, হাবিবুর রহমান সুজনের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলা সদরের সর্দারপাড়া এলাকায়। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সিলেট সদরের বোরবোরিপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন।#

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!