বড়লেখা প্রতিনিধি:
বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ পাথর বোঝাই ট্রাক থেকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ প্রসাধনী সামগ্রী আটক করেছে। শনিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ ও চারখাই পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ট্রাকটি আটক করেন। এসময় পুলিশ পাচারকাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে।
এরা হচ্ছে- ট্রাক চালক জসিম উদ্দিন, ট্রাকের মালিক জাহেদ আহমদ ও তাদের সহযোগি মেহেদী হাসান। এব্যাপারে শনিবার বিকেলে চারখাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হোসাইন মিয়া বাদি হয়ে বিয়ানীবাজার থানায় মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ প্রসাধনী সামগ্রীর একটি বড় চালান সিলেটে যাচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিয়ানীবাজার থানার ওসি আশরাফুজ্জামানের দিক নির্দেশনায় চারখাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হোসাইন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা শনিবার ভোরে চারখাই পুলিশ ফাঁড়ির সামনে চারখাই-জকিগঞ্জ সড়কে চেকপোস্ট বসায়। সকালের দিকে পাথর ভর্তি একটি ট্রাক দ্রুতগতিতে চেকপোষ্ট অতিক্রম করতে চাইলে পুলিশ ট্রাকটি আটক করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ প্রসাধনী সামগ্রী উদ্ধার করে পুলিশ। এসময় পুলিশ অবৈধ প্রসাধনী সামগ্রীসহ ট্রাকটি জব্দ এবং ট্রাকের চালক, মালিকসহ তিনজনকে আটক করে। পাচারকারিরা পাথরের ভেতর ভারতের অবৈধ প্রসাধনী সামগ্রীগুলো কানাইঘাটের বাংলাবাজার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে পরবর্তীতে পুলিশের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে সিলেটে নিয়ে যাচ্ছিল। জব্দ অবৈধ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রীর বাজার মূল্য প্রায় আড়াই কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
বিয়ানীবাজার থানার ওসি মো. আশরাফুজ্জামান জানান, ট্রাকে পাথরের আড়ালে ভারতীয় অবৈধ প্রসাধনী সামগ্রী পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ চেকপোষ্ট বসায়। পুলিশের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে চেকপোষ্ট অতিক্রমকালে পুলিশ একটি ট্রাক আটক করে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার ও পাচারকাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ট্রাকসহ পণ্যগুলো জব্দ করে পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। জব্দ প্রসাধনী পণ্যের বাজার মূল্য ২ কোটি ৪৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এব্যাপারে চারখাই পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হোসাইন মিয়া বাদি হয়ে থানায় মামলা হয়েছে।