বড়লেখায় বাড়ি লকডাউনে গিয়ে জানা গেল রোগী নেই অতঃপর.. – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

বড়লেখায় বাড়ি লকডাউনে গিয়ে জানা গেল রোগী নেই অতঃপর..

  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০

Manual1 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা ::

Manual3 Ad Code

বড়লেখায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির (২৮) বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে জানা গেল তিনি সিলেটে ! মঙ্গলবার ১৬ জুন বিকেলে লকডাউনে গিয়ে এ রোগীর সিলেটে অবস্থান করার তথ্য পায় পুলিশ। পরে তাকে সিলেট থেকে এনে বাড়ি লকডাউন করা হয়। আক্রান্ত ওই ব্যক্তির বাড়ি উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের দোহালিয়া গ্রামে, পেশায় মসজিদের ইমাম।

জানা গেছে, করোনা শনাক্ত হওয়া ব্যক্তি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় একটি মসজিদে চাকরি করেন। তিনি ঈদে বাড়ি আসেন। উপসর্গ থাকায় ৭ জুন তিনি বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। ১৫ জুন পর্যন্ত ফলাফল না আসায় পরদিন মঙ্গলবার সকালে তিনি কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। দুপুরে আসা ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন রোগীর বাড়ি লকডাউন করতে যায়। কিন্তু ততক্ষণে তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সিলেট শহরে পৌঁছে যান। এরপর যোগাযোগ করে তাকে ফিরিয়ে আনা হয়। যাওয়া আসার পথে তিনি গণপরিবহন ব্যবহার করেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে প্রশাসন তার বাড়ি লকডাউন করেছে। এসময় থানার এসআই কৃষ্ণ মোহন দেবনাথ, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আজিজুল ইসলাম ও স্বাস্থ্যকর্মী শংকর দাস উপস্থিত ছিলেন।

Manual2 Ad Code

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আজিজুল ইসলাম জানান, আক্রান্ত যুবক ছাতকে চাকরি করতেন। ঈদে বাড়ি আসেন। তার করোনা উপসর্গ ছিল। বাড়িতে আলাদা ছিলেন। তাই নমুনা পরীক্ষায় দেন। ৮ দিন পার হলেও রিপোর্ট না আসায় তিনি সুস্থ মনে করে কর্মস্থলে চলে যান। রিপোর্ট আসার পর যোগাযোগ করলে জানা যায় তিনি সিলেটে। পে বাড়িতে এনে প্রশাসন বাড়ি লকডাউন করেছে। তিনি সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রাখছেন।

Manual4 Ad Code

থানার এসআই কৃষ্ণ মোহন দেবনাথ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার ২ জনের রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসার পর স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে থানায় জানানো হয়। নিয়ম অনুযায়ী এক ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন শেষে দ্বিতীয় ব্যক্তির বাড়িতে যাওয়ার আগে তথ্য আসে তিনি সিলেটে। পরে যোগাযোগ করে বাড়িতে এনে তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

বড়লেখায় ২ বোনের করোনা পজিটিভ : মৃত ব্যবসায়ীর নেগেটিভ

বড়লেখা পৌরসভার বারইগ্রাম এলাকায় নতুন করে দুই বোনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বুধবার দুপুরে তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাদের একজনের বয়স ২৫ এবং অন্যজন ২৭। প্রশাসন তাদের বাড়ি লকডাউন করেছে। এ নিয়ে উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে। তবে ইতিমধ্যে ৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এদিকে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার ১০ দিন পর পৌরশহরের হাটবন্দ এলাকার কাপড় ব্যবসায়ী অনুরঞ্জন দেবনাথের রিপোর্ট নেভেটিভ এসেছে। গত ৭ জুন সিলেট নর্থইস্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রতœদীপ বিশ্বাস বুধবার সন্ধ্যায় জানান, একই পরিবারের দুইজনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। করোনার উপসর্গ থাকায় গত ৭ জুন তাদের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়। পজিটিভ রিপোর্ট আসায় বুধবার সকালে তাদের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যবসায়ী অনুরঞ্জন দেবনাথের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

Manual4 Ad Code

বড়লেখায় দোকান খোলা রাখায় ৭ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

বড়লেখায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে বিকেল ৪ টার পর দোকান খোলা রাখায় ৭ ব্যবসায়ীকে ৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার বিকেলে বড়লেখা পৌর শহরের হাজীগঞ্জ বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত লায়লা নীরা এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় থানার থানার উপপরিদর্শক রকিব মোহাম্মদ ও সুব্রত দাস উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বিকেল ৪ টার পর থেকে হাটবাজার, দোকানপাট এবং শপিংমল সমূহ বন্ধ রাখার সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু কিছু ব্যবসয়ী সরকারি এ নির্দেশনা না মেনে অনেক রাত পর্যন্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখেন। মঙ্গলবার বিকেল ৪ টার পর পৌর শহরের হাজীগঞ্জ বাজার ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে শহরের উত্তর চৌমুহনী এলাকায় ৭ প্রতিষ্ঠান খোলা পাওয়া যায়। এসময় পৃথক ৭টি মামলায় তাদের ৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews