এইবেলা খেলাধুলা :: এশিয়া কাপের সুপার ফোরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইনিংসের শুরুতেই ১ রানে উইকেট হারাল বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে বোল্ড হয়ে ২ বলে শূন্য রানে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম।
রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫ ওভাের ৪৮ রান ১ উইকেট হারিয়ে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। শনিবার টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দাসুন শানাকার ব্যাটিং তাণ্ডবে ৭ উইকেটে ১৬৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে শ্রীলংকা।
এই ম্যাচে জয় পেতে হলে ১২০ বলে ১৬৯ রান করতে হবে টাইগারদের। এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই।
শুধু এই ম্যাচেই নয়, টুর্নামেন্টে চতুর্থবারের মতো ফাইনালে খেলতে হলে সুপার ফোরের তিন ম্যাচের মধ্যে অন্তত দুটিতে অবশ্যই জিততে হবে বাংলাদেশকে। টাইগারদের পরের দুই ম্যাচ ২৪ ও ২৫ তারিখ ভারত আর পাকিস্তানের বিপক্ষে।
শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে শ্রীলংকাকে প্রথমে বোলিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালান শ্রীলংকান দুই ওপেনার কুশাল মেন্ডিস ও পাথুম নিশাঙ্কা।
পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে ওভারের শেষ বলে পাথুম নিশাঙ্কার উইকেট তুলে নেন তাসকিন আহমেদ। নিশাঙ্কার বিদায়ে ৫ ওভারের খেলা শেষে শ্রীলংকার সংগ্রহ ৪৪ রান।
তাসকিনের পর শ্রীলংকা শিবিরে জোড়া আঘাত হানেন শেখ মাহেদী হাসান। শ্রীলংকান ওপেনার কুশাল মেন্ডিসকে ফেরান মাহেদী। এরপর ৯.১ ওভারে দলীয় ৬৫ রানে কামিল মিশারাকেও ফেরেন তিনি।
শ্রীলংকা শিবিরে এরপর আঘান হানেন অভিজ্ঞ পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। তার বলে উইকেটকিপার লিটন দাসের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন কুশাল পেরেরা। তিনি ১৬ বলে ১৬ রান করে আউট হান। তার বিদায়ে ১৩.৩ ওভারে ৯৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় শ্রীলংকা।
৯.২ ওভারে ব্যাটিংয়ে নেমেই বাউন্ডারি হাঁকান দাসুন শানাকা। ৮ বলে তার সংগ্রহ ছিল ১০ রান। এরপর প্রতি ওভারেই বাউন্ডারি হাঁকান তিনি। ১৭তম ওভারে নাসুম আহমেদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালান শানাকা। সেই ওভারে দুই ছক্কা আর এক চারে আদায় করে নেন ১৭ রান।
এরপর ১৮তম ওভারের শেষ দুই বলে শরীফুলকে পরপর দুই বলে ছক্কা হাঁকান শানাকা। তার ব্যাটিং তাণ্ডবের কারণেই ১৪ ওভারে ৯৮ রান করা শ্রীলংকা; শেষ ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারালেও তুলে নেয় ৭০ রান তুলতে সক্ষম হয়। শানাকা ৩৭ বলে তিন চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে ৬৪ রান করেন।