জুড়ীতে রেলওয়ের ভূমিতে লাইসেন্সবিহীন করাতকল – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ওসির প্রেসব্রিফিং- গৃহবধু মুন্নির মৃত্যু আত্মহত্যা জনিত, প্ররোচনার মামলা দিলে ব্যবস্থা নিবে পুলিশ বড়লেখায় মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় মামলা গ্রহণ ও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন বড়লেখায় নিসচা’র কর্মপরিকল্পনা সভায় টিশার্ট প্রদান ও দোয়া মাহফিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন এম‌পি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বিধি বর্হিভুতভাবে পরিচালনা- বড়লেখার এস.আর ব্রিকসের লাইসেন্স বাতিল জুড়ীতে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় অবৈধ মোটরসাইকেল উদ্ধার কুলাউড়ায়  চা শ্রমিকদের  প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ  হারিছ মোহাম্মদ : নিভে গিয়েও আলো ছড়ানো নির্ভীক এক সাংবাদিক সিলেট নগরীর গ্রীনহিল কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়াজ উদ্দীনের যোগদান হাকালূকির মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অভিযান, বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ

জুড়ীতে রেলওয়ের ভূমিতে লাইসেন্সবিহীন করাতকল

  • রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০

Manual2 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা ::

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে রেলওয়ের ভুমিতে চলছে লাইসেন্স বিহীন অবৈধ করাত কল। অবৈধভাবে করাতকলটি স্থাপন করেছেন জনৈক লতিফ খান। বনবিভাগ বিগত ৮ বছর ধরে বন্ধের নোটিশ দিলেও তিনি তা বন্ধ না করে রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছেন। ২০ অক্টোবর অবৈধ করাতকলে এলাকাবাসীর, পরিবেশের ও বনাঞ্চলের ক্ষতিসাধনের একটি অভিযোগ তদন্ত করেছেন বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বক্কর সিদ্দিক ।

জানা গেছে, জুড়ী উপজেলার হামিদপুর গ্রামের লতিফ খান ২০১২ সালে মানিকসিং বাজারে রেলব্রীজ সংলগ্ন রেলওয়ের ভুমিতে অবৈধ স-মিল স্থাপন করেন। লাইসেন্সের আবেদন করলে করাতকল লাইসেন্স বিধিমালা ২০১২ এর ৭(ক) ধারা অনুযায়ী স্থাপিত না হওয়ায় বনবিভাগ তাকে লাইসেন্স দেয়নি। বনবিভাগ বারবার করাতকল বন্ধের নোটিশ দিলেও লতিফ খান তা আমলে নেননি। ২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী বন বিভাগের স্থানীয় রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোখলেসুর রহমান লাইসেন্স না দেয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে অবৈধ স্থাপিত স-মিলটি বন্ধের জন্য লতিফ খানকে চিঠি দেন। এরপরও বন্ধ হয়নি অবৈধ করাত কলটি।

Manual2 Ad Code

চলিত বছরের ১৯ আগষ্ট স্থানীয় বাসিন্দা লুজু খান বিভাগীয় বন সংরক্ষক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে লতিফ খান রেলওয়ের ভুমিতে অবৈধ করাতকল স্থাপন করায় এলাকার জনসাধারণের, পরিবেশের ও বনবিভাগের ক্ষতি সাধন করছেন।

Manual3 Ad Code

বন বিভাগ সুত্র জানায়, বনবিভাগ লাইসেন্স না দেয়ায় তিনি ২০১২ সালে বন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সরকারের ৫ পদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মাহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন করেন। এ রীটের বলেই তিনি অবৈধ করাতকল চালাচ্ছেন।

Manual8 Ad Code

অভিযোগকারী লুজু খান জানান, রীটের সংযুক্ত কাগজপত্রে লতিফ খান করাত কলের ভুয়া তফশিল বর্ণনা দিয়েছেন। যে দাগে করাত কলের অবস্থান দেখিয়েছেন তা সঠিক নয়। তিনি ভুল তথ্য দিয়ে আদালতের সাথে প্রতারণা করেছেন।

সহকারী বন সংরক্ষক জিএম আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, লতিফ খান লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে স-মিল চালাচ্ছিলেন। এটি বন্ধের জন্য বনবিভাগ লিখিতভাবে নোটিশ দিলে তিনি ২০১২ সালে মহামান্য হাইকোর্টে একটি রীট করেন। সম্প্রতি বিভাগীয় বন সংরক্ষক বরাবরে স্থানীয় বাসিন্দা লুজু খান অভিযোগ করেন রেলওয়ের ভুমিতে স-মিলটি স্থাপিত। মহামান্য হাইকোর্টের রীটে লতিফ খান স-মিলের অবস্থানের যে দাগ, খতিয়ান উল্লেখ করেছেন তা সঠিক নয়। মুলত মহামান্য আদালতকে বিভ্রান্ত করে তিনি অবৈধ স-মিল চালাচ্ছেন। এছাড়া স-মিলটি এলাকাবাসীর, পরিবেশের ও বনবিভাগের ক্ষতি সাধন করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। তিনি সরেজমিনে দু’জন সার্ভেয়ার নিয়ে এ অভিযোগের তদন্ত করেছেন। ১/২ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিবেন। উর্ধতন কর্তপক্ষ এব্যাপারে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

অভিযুক্ত লতিফ খান জানান, তিনি রেলওয়ের কৃষিলীজের ভুমিতে স-মিল স্থাপন করেছেন। বনবিভাগ লাইসেন্স না দেয়ায় হাইকোর্টে রীট করেছেন। রীটে উল্লেখিত দাগ-খতিয়ানেই (খতিয়ান ৩) তার স-মিলটি রয়েছে।#

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!