কমলগঞ্জে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে রুহেল ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরসের সাফল্য—৪২টি পর্তুগাল ভিসা সম্পন্ন হাকালুকি হাওর পাড়ের কৃষকদের বৈরী আবহাওয়া আর বানের জলের সাথে লড়াই  ছাতক কৃষকের কান্না : পাহাড়ি ঢল–টানা বৃষ্টিতে ফসল ডুবছে ভুয়া এলসিতে পাচারকালে- বড়লেখায় দেড় কোটি টাকার ভারতীয় জিরার চালান জব্দ : গ্রেফতার ১, বিজিবির ওপর হামলা ওসমানীনগরে পোস্ট অফিসে ঢুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা পয়সা লুট ঢাকা-সিলেট ডাবল রেললাইন হবে: প্রধানমন্ত্রী কুলাউড়ায় এসপিকে ঘুষ দিতে গিয়ে আটক ২ জুড়ীতে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিজিবির খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান মে দিবসের চেতনায় মজুরি বৈষম্যের অবসান হয়নি নারী শ্রমিকদের ছাত‌কে প্রবাসীর পক্ষে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: আদালতের আদেশে দুই দোকানঘর জব্দ

কমলগঞ্জে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু

  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০

Manual1 Ad Code

এইবেলা, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

Manual5 Ad Code

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষারে একটি পোল্ট্রি খামারে অসুস্থ্য হয়ে সাড়ে ৬ শতাধিক সোনালী মোরগের মৃত্যু হয়েছে। এতে খামারি প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনদিনে গড়ে এক কেজি দু’শ গ্রাম ওজনের এসব মোরগের মৃত্যু হয়।

Manual7 Ad Code

টিলাগড় গ্রামের সোনালী পোল্ট্রি খামারের মালিক কাইয়ুম হোসেন জানন, গত দু’বছর ধরে নিজ বাড়িতে খামারি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। গত আড়াইমাস আগে খামারে এক হাজার সোনালী জাতের মোরগের বাচ্চা উত্তোলন করেন। বাচ্চাগুলোর লালন-পালন, ভ্যাকসিন ও ফিডসহ প্রয়োজনীয় খাবারও প্রদান করেন। প্রতিটি বাচ্চা এক কেজি থেকে এক কেজি দু’শ গ্রাম ওজনের হয়। ঠিক বিক্রির উপযুক্ত সময়ে রোগে আক্রান্ত হয়। এসময়ে স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসক ও ঔষধ কোম্পানীর চিকিৎসকদের মাধ্যমে জানতে পারেন মোরগের গামবোরো রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তিনি তাদের পরামর্শ মোতাবেক এসব বিষয়ে ঔষধপত্র খাওয়ানোর পরও রক্ষা করতে পারেননি। সুস্থ অবস্থায় সাড়ে ৩শ” মোরগ বিক্রি করতে পারলেও অবশিষ্ট সাড়ে ৬শ’ মোরগ খামারেই মারা যায়। কাইয়ুম হোসেন বলেন, প্রায় ৭৫ দিন বয়স হওয়ার পর এতোসব মোরগ মারা যাওয়ায় প্রায় দু’লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে। একজন ডিলারের কাছ থেকে কিছু বাকিতে খাবার ও ঔষধ এনে ব্যবহার করলেও এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠা কঠিন বলে তিনি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেদায়েত আলী বলেন, উপজেলার সবগুলো খামারে তাদের দেখাশুনা রয়েছে। তবে টিলাগড় গ্রামের কাইয়ুম হোসেনের খামারে সাড়ে ৬শ’ মোরগ মারা যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানেন না। খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। #####

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!