ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি::
পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যেই পৌরসভা নিয়মিত এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার কমবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন ঘটবে।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে আরও বেশি বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহ মো. শফিউর রহমান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুভাষ চন্দ্র চক্রবর্তী, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মালেক, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস, চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মো. রবিউল ইসলাম, কর নির্ধারক মো. শহীদুল হক মোল্লা, কর আদায়কারী মো. জামাল উদ্দিন, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক অজয় কৃষ্ণ পাল, সহকারী কর আদায়কারী রতন চন্দ্র দে, উচ্চমান সহকারী শিলা রানী বড়ুয়া, উপসহকারী প্রকৌশলী দ্বিজেন্দ্র কুমার দাসসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ।
অভিভাবকরা জানান, পৌর প্রশাসক তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এমন উদ্যোগ স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। তারা বলেন, স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক এই পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মনোযোগী করছে, আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০২৪ সালে ইউএনও ও পৌর প্রশাসক মো. তরিকুল ইসলামের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এ মেধাবৃত্তি পরীক্ষা চালু করা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয়বারের মতো এ পরীক্ষার আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হলো।###