জুড়ী-বটুলি শুল্ক স্টেশন সড়কের কাজ শেষ না হওয়ায় জনদূর্ভোগ চরমে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২% 

জুড়ী-বটুলি শুল্ক স্টেশন সড়কের কাজ শেষ না হওয়ায় জনদূর্ভোগ চরমে

  • বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

Manual3 Ad Code

এইবেলা, জুড়ী :::

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জুড়ী-বটুলি শুল্ক স্টেশন সড়কের উন্নয়ন কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পরে মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদও পার হওয়ার পথে। দুই বছর আগে শুরু হওয়া কাজ এরমধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র অর্ধেক কাজও শেষ হয়নি। কাজের ধীরগতিতে এলাকাবাসীর দূর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

Manual4 Ad Code

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদর থেকে বটুলি শুল্ক স্টেশন পর্যন্ত ভাঙাচোরা প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি প্রশস্ত ও মজুবতকরণের কাজ ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয়। এর ব্যয় নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৭২ কোটি টাকা। ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন ও স্পেকট্রা ইন্টারন্যাশনাল নামের ঢাকার দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজটি পায়।

Manual2 Ad Code

পরে প্রতিষ্ঠান দুটি ১০ কিলোমিটার জায়গার কাজের দায়িত্ব দেয় মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ঠিকাদার শহিদুল আলমকে। গত বছরের ৩১ আগস্টের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে বেশ কয়েক মাস কাজ বন্ধ থাকে। পরে কাজের মেয়াদ ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

ওই সড়ক দিয়ে উপজেলার জায়ফরনগর, সাগরনাল, গোয়ালবাড়ী ও ফুলতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার লোকজন উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানির কাজে বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী গাড়ি বটুলি শুল্ক স্টেশনে চলাচল করে।

 উপজেলার জায়ফরনগর, সাগরনাল, গোয়ালবাড়ী ও ফুলতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার লোকজন উপজেলা সদরে যাতায়াত করেন। এ ছাড়া আমদানি-রপ্তানির কাজে বিভিন্ন ধরনের পণ্যবাহী গাড়ি বটুলি শুল্ক স্টেশনে চলাচল করে।

Manual4 Ad Code

সড়কের কাজে ধীরগতি ও ধুলার কারণে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সড়কটির কাজে ধীরগতির কারণে জনদুর্ভোগের কোন প্রতিকার না হওয়ায় হতাশ। তারা এজন্য ঠিকাদারের গাফিলতিকে দায়ি করছেন।

সড়কটি দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা সওজ অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী সহদেব সূত্রধর বলেছেন, তাঁদের হিসাবে সড়কে এ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট প্রকৌশলী মতিউর রহমান বলেন, কিছুদিন বন্ধের পর তাঁরা পুনরায় সড়কটির কাজ শুরু করেছেন। সড়কে দু-একটি কালভার্ট নির্মাণের কাজ এখনো বাকি। মার্চ মাসের প্রথম দিকে সড়কের প্রথম তিন কিলোমিটার জায়গায় কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু করা যাবে বলে আশা করছেন।

Manual4 Ad Code

সড়কের ১০ কিলোমিটার অংশের উপঠিকাদার শহিদুল আলম বলেন, ফুলতলা বাজার থেকে বটুলি শুল্ক স্টেশন পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার জায়গা প্রশস্ত করতে হবে। এ ব্যাপারে সওজ অধিদপ্তরের কাছ থেকে এখনো কোনো অনুমোদন মেলেনি। তাই ওই স্থানে কাজ শুরু করানো যাচ্ছে না। আর বাকি পাঁচ কিলোমিটারের কাজ দ্রুত শুরু করবেন।

সওজ মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জিয়া উদ্দিন বলেন, ঠিকাদারকে বারবার তাগিদ দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কাজের অগ্রগতি হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews